অ্যাকশন
দৃশ্যে
তাঁর
শক্তি,
পর্দায়
তাঁর
হাসি,
সংলাপ
বলার
ভঙ্গি
কিংবা
আবেগময়
মুহূর্তে
তাঁর
গভীর
অভিব্যক্তি—সব
মিলিয়ে
তিনি
গড়ে
তুলেছিলেন
অভিনয়ের
এক
নিজস্ব
ধারা।
অনেকেই
বলেন,
ধর্মেন্দ্র
একটি
‘স্কুল’;
তাঁর
অভিনয়–ধারণা
ও
পর্দা–ব্যক্তিত্ব
থেকে
প্রজন্মের
পর
প্রজন্ম
শিখেছে
কীভাবে
নায়ক
হতে
হয়,
আবার
কীভাবে
মানুষ
থাকতে
হয়।
তাঁর
চলে
যাওয়া
তাই
শুধু
এক
কিংবদন্তি
অভিনেতাকে
বিদায়
জানানো
নয়,
বরং
হারিয়ে
ফেলা
সেই
মানবিকতার
মূর্ত
প্রতীককে,
যিনি
বলিউডে
সবার
হৃদয়ে
জায়গা
করে
নিয়েছিলেন
নিজের
আচার–ব্যবহার,
চরিত্র
ও
সৌম্যতার
জন্য।
শেষ
কাজ
ও
অসমাপ্ত
প্রতীক্ষা
সর্বশেষ
তাঁকে
দেখা
গেছে
শহীদ
কাপুর
ও
কৃতি
শ্যাননের
সঙ্গে
‘তেরি
বাতোঁ
মে
অ্যায়সা
উলঝা
জিয়া’-তে।
এ
বছর
বড়দিনে
মুক্তি
পেতে
চলা
শ্রীরাম
রাঘবনের
ছবি
‘ইক্কিস’-এও
দেখা
যাবে
তাঁকে।
এটি
এখন
তাঁর
মৃত্যুর
পর
মুক্তি
পাওয়া
শেষ
ছবি
হয়ে
দাঁড়াবে।
এক
যুগের
অবসান
ধর্মেন্দ্রর
মৃত্যু
হিন্দি
চলচ্চিত্রের
একটা
যুগের
অবসান
বলছেন
সমালোচকেরা।
ছয়
দশকের
পর্দাজুড়ে
যিনি
শক্তি,
আবেগ,
হাসি
আর
মানবিকতার
অনন্য
মিশ্রণে
দর্শকদের
মুগ্ধ
করেছেন,
তাঁর
অনুপস্থিতি
বলিউডে
তৈরি
করেছে
গভীর
শূন্যতা
বলছেন
তারা।
অভিনেতা
চলে
গেছেন,
কিন্তু
তিনি
রেখে
যাওয়া
কাজ,
চরিত্র
আর
আবেগ
ভারতীয়
সিনেমাকে
আরও
বহুদিন
আলোকিত
করে
রাখবে।
এডমিন 
















