সাজ্জাদ
শরিফ:
চাকরি
সূত্রে
আপনার
বাবার
সঙ্গে
রেলওয়ের
একটি
সম্পর্ক
ছিল।
আমরা
এ–ও
জানি,
ট্রেনভ্রমণ
আপনার
খুবই
প্রিয়।
এটা
কি
আপনার
বাবার
স্মৃতির
একধরনের
উদ্যাপন?
টালি:
আমার
বাবা
যে
প্রতিষ্ঠানে
চাকরি
করতেন,
সেটি
কাজ
করত
আরও
অজস্র
কোম্পানির
ব্যবস্থাপনা
প্রতিনিধি
হিসেবে।
একপর্যায়ে
আমার
বাবা
সেখানকার
হিসাব
বিভাগের
প্রধান
কর্মকর্তা
পদের
দায়িত্ব
পান।
তাঁকে
এ–জাতীয়
৬০টি
কোম্পানির
তদারক
করতে
হতো।
এর
মধ্যে
ছিল
আবাসন,
কয়লাখনি,
ব্যাংক,
বিমা
ইত্যাদি
বিচিত্র
প্রতিষ্ঠান।
সেগুলোর
একটি
ছিল
দার্জিলিং
হিমালয়ান
রেলওয়ে।
ট্রেনভ্রমণ
আমার
কাছে
প্রিয়
হয়ে
ওঠার
একটা
কারণ
অবশ্যই
আমার
শৈশব
স্মৃতি।
আরেকটি
কারণ
হয়তো
এই
যে
আমি
এখনো
মনে
করি,
বাষ্পীয়
ইঞ্জিন
পৃথিবীর
সবচেয়ে
সুন্দর
যন্ত্র।
আমি
তো
মনে
করি,
ভ্রমণের
জন্য
ট্রেনের
চেয়ে
সুসভ্য
যান
আর
হতেই
পারে
না।
ট্রেন
খুব
দ্রুত
নয়,
আবার
বেশি
মন্থরও
নয়।
পরিবেশের
ওপর
এর
কোনো
বিরূপ
প্রভাব
নেই।
আরেকটি
অপূর্ব
ব্যাপার
হলো,
বাংলার
তালগাছঘেরা
প্রকৃতি
উত্তর
প্রদেশে
যেতে
যেতে
কীভাবে
অন্য
এক
নিসর্গরূপে
পাল্টে
যায়—ট্রেনভ্রমণেই
কেবল
তার
স্বাদ
নেওয়া
সম্ভব।
এর
তুলনায়
উড়োজাহাজ-ভ্রমণ
তো
একেবারে
অভব্য,
নীরস
আর
একঘেয়ে।
এডমিন 

















