আরও
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
দিক
হলো
ভয়েস
কন্ট্রোল
ও
এআই
ইন্টিগ্রেশন।
এখন
অনেক
টিভিতেই
বিক্সবি,
গুগল
অ্যাসিস্ট্যান্ট,
অ্যালেক্সা
কিংবা
বিভিন্ন
ব্র্যান্ডের
নিজস্ব
ভয়েস
কমান্ড
ফিচার
রয়েছে,
যার
মাধ্যমে
ব্যবহারকারীরা
শুধু
কথা
বলেই
কনটেন্ট
সার্চ,
অ্যাপ
ওপেন,
এমনকি
স্মার্ট
হোম
ডিভাইসও
নিয়ন্ত্রণ
করতে
পারেন।
স্মার্ট
টিভির
সঙ্গে
এখন
অনেকে
যুক্ত
করছেন
সাউন্ডবার
বা
হোম
থিয়েটার
সিস্টেম,
যাতে
সিনেমা
বা
সিরিজ
দেখার
অভিজ্ঞতা
হয়
আরও
ইমারসিভ।
আর
ফোর-কে
ও
এইট-কে
রেজল্যুশনের
পাশাপাশি
হাই
ডায়নামিক
রেঞ্জ
(এইচডিআর)
প্রযুক্তি
যোগ
হওয়ায়
ছবি
এখন
আরও
প্রাণবন্ত,
কালারফুল
ও
রিয়েলিস্টিক।
সব
মিলিয়ে
বলা
যায়,
অনলাইন
স্ট্রিমিং
ও
স্মার্ট
টিভি
আমাদের
বিনোদনের
ধারা
পুরোপুরি
বদলে
দিয়েছে।
টিভি
এখন
আর
এমন
কোনো
যন্ত্র
নয়,
যেখানে
চলতে
থাকবে
বাঁধাধরা
অনুষ্ঠান;
বরং
ওটিটি
প্ল্যাটফর্মগুলোতে
এখন
দেখা
যাচ্ছে
নিজের
পছন্দমতো
কনটেন্ট।
এখন
চাইলে
কয়েক
বছর
আগে
টিভিতে
প্রচারিত
হওয়া
পছন্দের
কোনো
অনুষ্ঠান
কিংবা
ড্রামা
সিরিজ
উপভোগ
করা
যায়।
মাত্র
কয়েক
বছর
আগেও
বিষয়টি
ছিল
প্রায়
অচিন্তনীয়।
এমনকি
স্মার্ট
টিভিগুলোর
কল্যাণে
আজকাল
ঘরেই
বানিয়ে
নেওয়া
যাচ্ছে
হোম
থিয়েটার।
প্রযুক্তির
এই
অগ্রগতি
টিভিতে
বিনোদনের
ধারায়
নিয়ে
এসেছে
এক
অকল্পনীয়
বিপ্লব।
এডমিন 
















