মারইয়ামের
মিহরাব
ছিল
ইবাদত
ঘর।
যাকারিয়া
প্রতিবার
গিয়ে
দেখতেন,
তার
কাছে
রিজিক।
“যখনই
যাকারিয়া
তার
মিহরাবে
প্রবেশ
করতেন,
তার
কাছে
রিজিক
পেতেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)।
জিজ্ঞাসা
করলেন,
“এটা
কোথা
থেকে?”
মারইয়াম
বললেন,
“আল্লাহর
কাছ
থেকে।
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
অগণিত
রিজিক
দেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)
এখানে
যাকারিয়া
দুটি
জিনিস
বুঝলেন:
ইবাদত
ও
দোয়া
–
এই
দুয়ে
রিজিক
আসে।
যাকারিয়া
আগেও
দোয়া
করতেন,
কবুল
হতো:
“আমি
তোমার
দোয়ায়
কখনো
হতাশ
হইনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪)।
কিন্তু
এবার
অলৌকিক
কিছু
দেখে
অলৌকিক
দোয়া
করলেন।
তিনটি
দোয়া:
১.
“হে
আমার
প্রতিপালক,
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
পবিত্র
সন্তান
দান
করো।
তুমি
দোয়া
শোনো।”
(সুরা
আল-ইমরান,
আয়াত:
৩৮)।
শুধু
সন্তান
নয়,
‘তাইয়্যিবা’
–
পবিত্র।
২.
“আমার
হাড়
দুর্বল,
মাথা
পেকে
গেছে…
আমি
উত্তরাধিকারী
নিয়ে
চিন্তিত,
স্ত্রী
বন্ধ্যা।
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
উত্তরাধিকারী
দাও,
যে
আমার
ও
ইয়াকুব
পরিবারের
উত্তরাধিকারী
হবে।
তাকে
সন্তুষ্টকারী
বানাও।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪-৬)।
৩.
“হে
প্রতিপালক,
আমাকে
একা
রেখো
না,
তুমি
সর্বোত্তম
উত্তরাধিকারী।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৮৯)
দোয়া
গোপনে,
খাঁটি
মনে:
“যখন
সে
তার
রবকে
গোপনে
ডেকেছিল।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৩)।
সঙ্গে
সৎকর্ম:
“যাকারিয়া,
ইয়াহইয়া…
সবাই
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আনআম,
আয়াত:
৮৫)
কবুল
তৎক্ষণাৎ,
“সে
মিহরাবে
নামাজ
পড়ছিল,
ফেরেশতা
ডেকে
বলল,
আল্লাহ
তোমাকে
ইয়াহইয়ার
সুসংবাদ
দিচ্ছেন
–
আল্লাহর
কালিমার
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৯)।
পাঁচ
গুণ:
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎ।
স্ত্রী
সুস্থ
হলেন:
“আমি
তার
দোয়া
কবুল
করলাম,
ইয়াহইয়া
দান
করলাম,
তার
স্ত্রীকে
সংশোধন
করলাম।
তারা
সৎকাজ
দ্রুততায়
করত,
আশা-ভয়ে
দোয়া
করত,
আমাদের
সামনে
বিনয়ী
ছিল।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৯০)
আনন্দে
মিহরাব
থেকে
বেরিয়ে
কওমকে
বললেন,
সকাল-সন্ধ্যা
তাসবিহ
পড়ো।
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
১১)।
নামও
আল্লাহ
দিলেন:
“হে
যাকারিয়া,
আমরা
তোমাকে
ইয়াহইয়া
নামে
পুত্রের
সুসংবাদ
দিচ্ছি
–
আগে
এ
নামে
কাউকে
রাখিনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৭)।
রহস্যটি
কী?
আল্লাহর
সঙ্গে
সম্পর্ক।
“আল্লাহকে
বেশি
স্মরণ
করো,
যাতে
সফল
হও।”
(সুরা
আল-আনফাল,
আয়াত:
৪৫)।
“আমাকে
স্মরণ
করো,
আমি
তোমাদের
স্মরণ
করব।”
(সুরা
আল-বাকারা,
আয়াত:
১৫২)।
শয়তান
স্মরণ
ভুলিয়ে
দেয়।
(সুরা
আল-মুজাদালাহ,
আয়াত:
১৯)।
সুতরাং
দোয়া
কবুল
হোক
তা
চাইলে
খাঁটি
মন,
সুন্দর
ধারণা,
কাতর
মিনতি,
আল্লাহর
নাম-গুণে
ডাকা,
পাপ
থেকে
দূরে,
নামাজ-ইবাদত
ঠিক
রাখা।
এসব
আসবে
তাকওয়ায়।
“গ্রামবাসী
যদি
ইমান
আনে
ও
তাকওয়া
অবলম্বন
করে,
আমি
আকাশ
ও
পৃথিবী
থেকে
বরকতের
দরজা
খুলে
দেব।”
(সুরা
আ’রাফ,
আয়াত:
৯৬)।
বরকত
–
বহুবচন।
আল্লাহ
ওয়াদা
খেলাফ
করেন
না।
যাকারিয়া-মারইয়াম
(আ.)-এর
মতো
দোয়া
করি,
তাহলে
অলৌকিকভাবে
সেই
দোয়া
কবুল
হওয়ার
জন্য
অপেক্ষা
করছে।
এডমিন 














