০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠিকানা নরহরিপুর

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 15

তাঁরা
দুজনই
দেখতে
আমার
ছোট
চাচার
বয়সী।
ছোট
চাচা
আমার
চেয়ে
পনেরো-ষোলো
বছরের
বড়।
তা
ছাড়া
এখনো
আমার
দাড়ি-গোঁফ
ওঠেনি।
কেবল
রেখা
দেখা
দিয়েছে।
কিন্তু
তাঁদের
দুজনের
মুখেই
কয়েক
দিনের
না
কামানো
দাড়ি
আর
গোঁফ।
হয়তো
আমি
শহুরে
বলেই
‘আপনি’
করে
বলছেন।

আমি
মুচকি
হেসে
বললাম,
‘আমাকে
তুমি
করেই
বলবেন।
আমি
আপনাদের
চেয়ে
অনেক
ছোট।’

আমার
কথা
শুনে
তাঁরা
পরস্পরের
দিকে
তাকিয়ে
হাসি
দিলেন।

আমার
একটু
রাগই
হলো।
বলতে
চাইলাম,
আমি
কি
হাসির
কিছু
বলেছি?

বললাম
না।
জানতে
চাইলাম,
‘নরহরিপুর
কোন
দিকে?’

এবারও
দুজন
দুজনের
মুখের
দিকে
তাকালেন।
আমি
দুজনের
মুখের
দিকে
তাকিয়ে
আছি
জবাবের
আশায়।

মাটিতে
দাঁড়ানো
লোকটি
বললেন,
‘কোন
নরহরিপুর?’

ঘাবড়ে
গেলাম
আমি।
তাই
তো?
কোন
নরহরিপুর?

বললাম,
‘কোন
নরহরিপুর
মানে?
এখানে
কয়টা
নরহরিপুর
আছে?’

গাদার
ওপরের
লোকটি
বললেন,
‘সাতটা।’

‘সাতটা!’
চমকে
উঠলাম
আমি।
বললাম,
‘এখানে
এতগুলো
নরহরিপুর
এল
কোত্থেকে?’

‘নানান
জায়গা
থেকে
এসেছে।
দক্ষিণ
দিকেই
আছে
চারটা
নরহরিপুর।
একটা
চাটখিলের।
একটা
সেনবাগের।
একটা
সোনাইমুড়ির।
আর
একটা
রামগঞ্জের।
উত্তর
দিকে
আছে
একটা
নরহরিপুর।
ওটা
লাকসামের।
পূর্ব
দিকে
আছে
নাঙ্গলকোটের
নরহরিপুর।
পশ্চিমে
কোনো
নরহরিপুর
নেই।
আপনি
কোন
দিকের
নরহরিপুরে
যাবেন?’

‘আপনি
তো
ছয়টা
নরহরিপুরের
হিসাব
দিলেন।
আরেকটা?’

‘আরেকটা
মনোহরগঞ্জের
নরহরিপুর।’

‘আমি
ওই
নরহরিপুরেই
যাব।’

‘এটাই
সেই
নরহরিপুর।
আপনি
সঠিক
জায়গাতেই
আছেন।
কোন
পাড়া?’

‘নন্দীপাড়া।’

‘আরে!
আমাদের
বাড়িও
তো
নন্দীপাড়া।
নন্দীপাড়া
কার
বাড়ি?’

খুশিতে
আমার
বুকটা
ডাকাতিয়া
নদীর
ঢেউয়ের
মতো
ছলাৎ
করে
উঠল।
ডাকাতিয়া
নদীটা
মনোহরগঞ্জের
ওপর
দিয়েই
বয়ে
গেছে।

বললাম,
‘আমার
খালার
বাড়ি।’

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

রংপুরে বেড়েছে ডিম-আলুর দাম

ঠিকানা নরহরিপুর

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তাঁরা
দুজনই
দেখতে
আমার
ছোট
চাচার
বয়সী।
ছোট
চাচা
আমার
চেয়ে
পনেরো-ষোলো
বছরের
বড়।
তা
ছাড়া
এখনো
আমার
দাড়ি-গোঁফ
ওঠেনি।
কেবল
রেখা
দেখা
দিয়েছে।
কিন্তু
তাঁদের
দুজনের
মুখেই
কয়েক
দিনের
না
কামানো
দাড়ি
আর
গোঁফ।
হয়তো
আমি
শহুরে
বলেই
‘আপনি’
করে
বলছেন।

আমি
মুচকি
হেসে
বললাম,
‘আমাকে
তুমি
করেই
বলবেন।
আমি
আপনাদের
চেয়ে
অনেক
ছোট।’

আমার
কথা
শুনে
তাঁরা
পরস্পরের
দিকে
তাকিয়ে
হাসি
দিলেন।

আমার
একটু
রাগই
হলো।
বলতে
চাইলাম,
আমি
কি
হাসির
কিছু
বলেছি?

বললাম
না।
জানতে
চাইলাম,
‘নরহরিপুর
কোন
দিকে?’

এবারও
দুজন
দুজনের
মুখের
দিকে
তাকালেন।
আমি
দুজনের
মুখের
দিকে
তাকিয়ে
আছি
জবাবের
আশায়।

মাটিতে
দাঁড়ানো
লোকটি
বললেন,
‘কোন
নরহরিপুর?’

ঘাবড়ে
গেলাম
আমি।
তাই
তো?
কোন
নরহরিপুর?

বললাম,
‘কোন
নরহরিপুর
মানে?
এখানে
কয়টা
নরহরিপুর
আছে?’

গাদার
ওপরের
লোকটি
বললেন,
‘সাতটা।’

‘সাতটা!’
চমকে
উঠলাম
আমি।
বললাম,
‘এখানে
এতগুলো
নরহরিপুর
এল
কোত্থেকে?’

‘নানান
জায়গা
থেকে
এসেছে।
দক্ষিণ
দিকেই
আছে
চারটা
নরহরিপুর।
একটা
চাটখিলের।
একটা
সেনবাগের।
একটা
সোনাইমুড়ির।
আর
একটা
রামগঞ্জের।
উত্তর
দিকে
আছে
একটা
নরহরিপুর।
ওটা
লাকসামের।
পূর্ব
দিকে
আছে
নাঙ্গলকোটের
নরহরিপুর।
পশ্চিমে
কোনো
নরহরিপুর
নেই।
আপনি
কোন
দিকের
নরহরিপুরে
যাবেন?’

‘আপনি
তো
ছয়টা
নরহরিপুরের
হিসাব
দিলেন।
আরেকটা?’

‘আরেকটা
মনোহরগঞ্জের
নরহরিপুর।’

‘আমি
ওই
নরহরিপুরেই
যাব।’

‘এটাই
সেই
নরহরিপুর।
আপনি
সঠিক
জায়গাতেই
আছেন।
কোন
পাড়া?’

‘নন্দীপাড়া।’

‘আরে!
আমাদের
বাড়িও
তো
নন্দীপাড়া।
নন্দীপাড়া
কার
বাড়ি?’

খুশিতে
আমার
বুকটা
ডাকাতিয়া
নদীর
ঢেউয়ের
মতো
ছলাৎ
করে
উঠল।
ডাকাতিয়া
নদীটা
মনোহরগঞ্জের
ওপর
দিয়েই
বয়ে
গেছে।

বললাম,
‘আমার
খালার
বাড়ি।’