তবে
সবাই
যে
সমানভাবে
উদ্বিগ্ন,
তেমনটা
নয়।
তেমনই
একজন
ফরিদপুর
জেলার
স্থানীয়
দুর্গাপূজা
উদ্যাপন
কমিটির
সাধারণ
সম্পাদক
শ্যামল
কর্মকার।
বাঙালি
হিন্দুদের
অন্যতম
বড়
উৎসব
দুর্গাপূজা।
বাংলাদেশ
ও
ভারতের
পশ্চিমবঙ্গে
এই
উৎসব
উদ্যাপিত
হয়।
শ্যামল
কর্মকার
বলেন,
‘ঐতিহ্যগতভাবেই
আমরা
এখানে
বছরের
পর
বছর
জোরালো
সাম্প্রদায়িক
সম্প্রীতি
বজায়
রেখেছি।
অভ্যুত্থানের
সময়
দেশের
অনেক
এলাকায়
হামলার
খবর
পাওয়া
গেলেও
আমাদের
এলাকায়
তেমন
কিছু
ঘটেনি।’
শ্যামল
কর্মকার
বলেন,
রাজনৈতিক
নেতারা
সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের
ভোট
পাওয়ার
জন্য
তৎপর
রয়েছেন
এবং
তাঁদের
নিরাপত্তার
প্রতিশ্রুতি
দিয়েছেন।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
ভোট
দেব
এবং
আশা
করছি,
একটি
শান্তিপূর্ণ
নির্বাচন
হবে।’
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী
খালেদা
জিয়ার
ছেলে
বিএনপির
চেয়ারম্যান
তারেক
রহমান
একটি
অন্তর্ভুক্তিমূলক
বাংলাদেশ
গড়ার
আকাঙ্ক্ষা
ব্যক্ত
করেছেন,
যেখানে
ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে
সব
সম্প্রদায়ের
মানুষ
নিরাপদ
বোধ
করবেন।
অন্যদিকে
নির্বাচনে
বিএনপির
প্রধান
প্রতিদ্বন্দ্বী
জামায়াতে
ইসলামী
সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের
কাছে
পৌঁছানোর
চেষ্টার
অংশ
হিসেবে
প্রথমবারে
মতো
খুলনায়
একজন
হিন্দু
প্রার্থীকে
মনোনয়ন
দিয়েছে।
তবে
গোপালগঞ্জে
নির্বাচনী
সহিংসতা
নিয়ে
উদ্বেগ
এখনো
প্রবল।
এই
জেলায়
মোট
ভোটারের
প্রায়
এক-চতুর্থাংশই
হিন্দুধর্মাবলম্বী।
গোপালগঞ্জ
জেলার
একটি
হিন্দু
অধ্যুষিত
আসনে,
যেটি
শেখ
হাসিনার
জন্মস্থানও
সেখানে
স্বতন্ত্র
প্রার্থী
হয়েছেন
বাংলাদেশ
জাতীয়
হিন্দু
মহাজোটের
মহাসচিব
গোবিন্দ
চন্দ্র
প্রামাণিক।
তিনি
বলেন,
‘আমি
আশঙ্কা
করছি,
এই
নির্বাচনকে
কেন্দ্র
করে
অস্থিরতা
ছড়িয়ে
পড়তে
পারে।’
এডমিন 



















