তবে
এসব
দৃশ্য
অনেককেই
আহত
করেছে।
তাঁদের
মনে
হয়েছে,
শতাব্দীর
পর
শতাব্দী
ধরে
মানুষ
কঠোর
অনুশাসন,
নিয়মিত
অনুশীলন
ও
আধ্যাত্মিক
চর্চার
মাধ্যমে
যেসব
কসরত
শিখেছে,
সেগুলো
এখন
মেশিনের
মাধ্যমে
সম্পন্ন
হচ্ছে।
শাওলিন
কুংফু
কেবল
শারীরিক
ব্যায়াম
নয়,
এটি
বৌদ্ধ
দার্শনিকতা,
ধ্যান
ও
মানসিক
নিয়ন্ত্রণের
ওপর
ভিত্তি
করে
গড়ে
উঠেছে
এবং
এই
ঐতিহ্য
শতাব্দীর
পর
শতাব্দী
ধরে
প্রজন্ম
থেকে
প্রজন্ম
অনুশীলন
করে
আসছে।
তাই
কেউ
কেউ
প্রশ্ন
তোলেন,
পবিত্র
স্থানগুলোতে
প্রযুক্তিকে
কত
দূর
পর্যন্ত
প্রবেশ
করতে
দেওয়া
উচিত।
তবে
বিপরীত
মতও
আছে।
এডমিন 














