‘আশাভঙ্গ’
কর্মকর্তা
ও
স্থানীয়
বাসিন্দারা
জানান,
আসামের
এসব
ঘটনা
পশ্চিমবঙ্গেও
আতঙ্ক
বাড়িয়ে
দিয়েছে।
ঘটনাস্থলে
উপস্থিত
রাজ্য
পুলিশের
ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা
সুব্রত
সাহা
বার্তা
সংস্থা
এএফপিকে
বলেন,
‘মঙ্গলবার
থেকে
দলে
দলে
মানুষ
হাকিমপুর
সীমান্ত
চেকপোস্টে
আসছেন।
তাঁরা
খবর
পেয়েছেন,
এই
চৌকি
দিয়ে
বাংলাদেশে
পার
হওয়া
সম্ভব।’
কর্তৃপক্ষ
দাবি
করছে,
অস্থায়ী
আশ্রয়শিবিরে
জড়ো
হওয়া
এসব
মানুষকে
প্রথমে
প্রাথমিক
যাচাই-বাছাইয়ের
জন্য
আটককেন্দ্রে
নিয়ে
যাওয়া
হবে।
এরপর
তাঁদের
সীমান্ত
নিরাপত্তা
বাহিনীর
(বিএসএফ)
কাছে
হস্তান্তর
করে
বাংলাদেশে
পাঠিয়ে
দেওয়া
হবে।
পশ্চিমবঙ্গের
অভিবাসনের
ইতিহাস
১৯৪৭
সালের
ব্রিটিশ
ভারত
বিভাগের
সময়কাল
থেকে
শুরু।
তখন
ধর্মীয়
ভিত্তিতে
বেঙ্গলকে
(বঙ্গ)
বিভক্ত
করা
হয়েছিল—প্রধানত
হিন্দু
অধ্যুষিত
পশ্চিমবঙ্গ
ভারতের
অংশ
হয়
এবং
মুসলিমপ্রধান
পূর্ব
পাকিস্তান
গঠিত
হয়,
যা
পরবর্তী
সময়ে
স্বাধীন
বাংলাদেশ
নামে
আত্মপ্রকাশ
করে।
অনেকের
জন্য
এই
প্রত্যাবর্তন
বেঁচে
থাকার
লড়াইয়ের
পাশাপাশি
পরিচয়ের
প্রশ্নও
বটে।
২০
বছর
বয়সী
আবদুল
শেখ
বলেন,
‘আমার
বাবা-মা
দুই
দশকের
বেশি
সময়
আগে
বাংলাদেশ
থেকে
ভারতে
এসেছিলেন।
আমার
জন্ম
কলকাতায়,
কিন্তু
আমার
(ভারতীয়)
নাগরিকত্ব
প্রমাণ
করার
মতো
কোনো
বৈধ
কাগজপত্র
নেই।’
আবদুল
জানান,
মা–বাবার
মৃত্যুর
পর
এখন
তাঁকে
ভারত
ছাড়তে
সতর্ক
করা
হয়েছে।
‘নতুবা
এর
পরিণতি
ভোগ
করতে
হবে।’
এডমিন 


















