বৃহস্পতিবার
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
দেওয়া
এক
পোস্টে
নেটব্লকস
জানায়,
ইন্টারনেট
বন্ধ
করে
দেওয়ার
আগে
ইরানজুড়ে
বিক্ষোভকে
লক্ষ্য
করে
ধারাবাহিকভাবে
ডিজিটাল
সেন্সরশিপের
মাত্রা
বাড়ানো
হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানটির
মতে,
এমন
পদক্ষেপ
সংকটময়
সময়ে
জনগণের
যোগাযোগের
অধিকারকে
বাধাগ্রস্ত
করছে।
বিক্ষোভকারীরা
রাজধানী
তেহরানের
বিভিন্ন
সড়কে
আগুন
জালিয়ে
বিক্ষোভ
করেছেন।
এ
ছাড়া
বুরুজের্দ,
আর্সানজান,
গিলান-এ-ঘার্বসহ
বিভিন্ন
শহরে
হাজার
হাজার
মানুষ
বিক্ষোভ
মিছিলে
যোগ
দিয়েছেন।
কাস্পিয়ান
সাগরের
তীরবর্তী
শহর
তোনেকাবনে
বিক্ষোভকারীদের
ছত্রভঙ্গ
করতে
কাঁদানে
গ্যাসের
শেল
ছুড়েছে
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী
বাহিনী।
আন্তর্জাতিক
সংবাদমাধ্যম
এএফপির
তথ্য
অনুযায়ী,
বিক্ষোভ
শুরুর
পর
থেকে
ইরানে
এখন
পর্যন্ত
অন্তত
২১
জন
নিহত
হওয়ার
খবর
পাওয়া
গেছে।
এর
মধ্যে
নিরাপত্তা
বাহিনীর
সদস্যও
রয়েছেন।
সরকারি
বিবৃতি
আর
স্থানীয়
গণমাধ্যমের
তথ্যের
ভিত্তিতে
এএফপি
এ
খবর
দিয়েছে।
এডমিন 



















