০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণ ও পরিবেশের সুরক্ষায় ইসলামের ১০ শিক্ষা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • 2


৭.
রাস্তাঘাট

উন্মুক্ত
স্থান
পরিষ্কার
রাখা

পরিবেশ
পরিষ্কার
রাখা
ইমানের
অংশ।
পথে
পড়ে
থাকা
ময়লা
বা
কষ্টদায়ক
বস্তু
সরিয়ে
ফেলাকে
ইসলাম
ইবাদতের
মর্যাদা
দিয়েছে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“ইমানের
সত্তরটিরও
বেশি
শাখা
রয়েছে…
যার
সর্বনিম্ন
স্তর
হলো
পথ
থেকে
কষ্টদায়ক
বস্তু
সরিয়ে
ফেলা।”
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৩৫)


৮.
প্রাণীদের
অধিকার

খাদ্য
নিশ্চিত
করা

বোবা
প্রাণীদের
ওপর
তাদের
ক্ষমতার
অতিরিক্ত
বোঝা
চাপানো
বা
তাদের
ক্ষুধার্ত
রাখা
জুলুম।
নবীজি
(সা.)
ক্ষুধার্ত
উটের
কষ্ট
দেখে
মালিককে
তিরস্কার
করেছিলেন।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“এই
নির্বাক
পশুদের
ব্যাপারে
আল্লাহকে
ভয়
করো।”
(সুনানে
আবু
দাউদ,
হাদিস:
২৫৪৮)


৯.
পরিবেশ
দূষণ
থেকে
বিরত
থাকা

স্থির
পানি
বা
ছায়াযুক্ত
স্থানে—যেখানে
মানুষ
বিশ্রাম
নেয়—সেখানে
মলমূত্র
ত্যাগ
বা
ময়লা
ফেলে
পরিবেশ
দূষিত
করাকে
অভিশপ্ত
কাজ
বলা
হয়েছে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“তোমরা
তিনটি
অভিশপ্ত
কাজ
থেকে
বেঁচে
থাকো:
পানির
ঘাটে,
রাস্তার
মাঝখানে
এবং
গাছের
ছায়ায়
মলমূত্র
ত্যাগ
করা।”
(সুনানে
আবু
দাউদ,
হাদিস:
২৬)


১০.
শেষ
মুহূর্ত
পর্যন্ত
ইতিবাচক
কাজ

পৃথিবী
ধ্বংসের
কাছাকাছি
থাকলেও
মানুষের
উচিত
ইতিবাচক
কোনো
কাজ
করে
যাওয়া,
যা
পরিবেশের
উপকারে
আসে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“যদি
কেয়ামত
শুরু
হওয়ার
উপক্রম
হয়
আর
তোমাদের
কারো
হাতে
একটি
চারাগাছ
থাকে,
তবে
সে
যেন
তা
রোপণ
করে
দেয়।”
(আল-আদাবুল
মুফরাদ,
বুখারি,
হাদিস:
৪৭৯)

ইসলামের
এই
পরিবেশদর্শন
আমাদের
মনে
করিয়ে
দেয়
যে,
আমরা
এই
পৃথিবীর
অবিচ্ছেদ্য
অংশ।
প্রকৃতি

প্রাণিজগৎকে
ধ্বংস
করে
মানুষের
উন্নয়ন
সম্ভব
নয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

প্রাণ ও পরিবেশের সুরক্ষায় ইসলামের ১০ শিক্ষা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


৭.
রাস্তাঘাট

উন্মুক্ত
স্থান
পরিষ্কার
রাখা

পরিবেশ
পরিষ্কার
রাখা
ইমানের
অংশ।
পথে
পড়ে
থাকা
ময়লা
বা
কষ্টদায়ক
বস্তু
সরিয়ে
ফেলাকে
ইসলাম
ইবাদতের
মর্যাদা
দিয়েছে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“ইমানের
সত্তরটিরও
বেশি
শাখা
রয়েছে…
যার
সর্বনিম্ন
স্তর
হলো
পথ
থেকে
কষ্টদায়ক
বস্তু
সরিয়ে
ফেলা।”
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৩৫)


৮.
প্রাণীদের
অধিকার

খাদ্য
নিশ্চিত
করা

বোবা
প্রাণীদের
ওপর
তাদের
ক্ষমতার
অতিরিক্ত
বোঝা
চাপানো
বা
তাদের
ক্ষুধার্ত
রাখা
জুলুম।
নবীজি
(সা.)
ক্ষুধার্ত
উটের
কষ্ট
দেখে
মালিককে
তিরস্কার
করেছিলেন।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“এই
নির্বাক
পশুদের
ব্যাপারে
আল্লাহকে
ভয়
করো।”
(সুনানে
আবু
দাউদ,
হাদিস:
২৫৪৮)


৯.
পরিবেশ
দূষণ
থেকে
বিরত
থাকা

স্থির
পানি
বা
ছায়াযুক্ত
স্থানে—যেখানে
মানুষ
বিশ্রাম
নেয়—সেখানে
মলমূত্র
ত্যাগ
বা
ময়লা
ফেলে
পরিবেশ
দূষিত
করাকে
অভিশপ্ত
কাজ
বলা
হয়েছে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“তোমরা
তিনটি
অভিশপ্ত
কাজ
থেকে
বেঁচে
থাকো:
পানির
ঘাটে,
রাস্তার
মাঝখানে
এবং
গাছের
ছায়ায়
মলমূত্র
ত্যাগ
করা।”
(সুনানে
আবু
দাউদ,
হাদিস:
২৬)


১০.
শেষ
মুহূর্ত
পর্যন্ত
ইতিবাচক
কাজ

পৃথিবী
ধ্বংসের
কাছাকাছি
থাকলেও
মানুষের
উচিত
ইতিবাচক
কোনো
কাজ
করে
যাওয়া,
যা
পরিবেশের
উপকারে
আসে।

রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
“যদি
কেয়ামত
শুরু
হওয়ার
উপক্রম
হয়
আর
তোমাদের
কারো
হাতে
একটি
চারাগাছ
থাকে,
তবে
সে
যেন
তা
রোপণ
করে
দেয়।”
(আল-আদাবুল
মুফরাদ,
বুখারি,
হাদিস:
৪৭৯)

ইসলামের
এই
পরিবেশদর্শন
আমাদের
মনে
করিয়ে
দেয়
যে,
আমরা
এই
পৃথিবীর
অবিচ্ছেদ্য
অংশ।
প্রকৃতি

প্রাণিজগৎকে
ধ্বংস
করে
মানুষের
উন্নয়ন
সম্ভব
নয়।