১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় কিয়েভ নয়, মস্কোর স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • 14

ইউক্রেন
যুদ্ধ
বন্ধে
একটি
শান্তি
পরিকল্পনার
খসড়া
করেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প।
তাঁর
প্রস্তাবিত
২৮
দফা
এই
পরিকল্পনার
খসড়া
ফাঁস
হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা
মনে
করছেন,
ট্রাম্পের
শান্তি
পরিকল্পনায়
রাশিয়ার
প্রায়
সব
চাওয়া
পূরণ
হবে।
অন্যদিকে
আরও
কোণঠাসা
হবে
ইউক্রেন।

ট্রাম্পের
খসড়া
প্রস্তাবে
২০২২
সালে
ইস্তাম্বুলে
হওয়া
আলোচনায়
রাশিয়ার
দাবির
সঙ্গে
বড়
সামঞ্জস্য
রয়েছে।
তখন
বর্তমানের
চেয়ে
ইউক্রেনের
আরও
বেশি
ভূখণ্ড
রাশিয়ার
দখলে
ছিল।
আর
গত
তিন
বছরে
যুদ্ধক্ষেত্রে
সামরিকভাবে
বিভিন্ন
দিকে
মস্কোর
যেসব
ব্যর্থতা,
তা
আলোচনায়
ছিল
না।

ট্রাম্পের
পরিকল্পনা
কার্যকর
হলে
রাশিয়ার
প্রাথমিক
দুটি
লক্ষ্য
পূরণ
হবে।
প্রথমত,
এতে
এমন
সব
শর্ত
রয়েছে,
যেগুলো
রাশিয়ার
জন্য
এতটাই
সুবিধাজনক
যে
এর
সামান্য
অংশ
মানলেও
তা
হবে
মস্কোর
জন্য
বড়
জয়।
দ্বিতীয়ত,
এটাকে
রাশিয়ান
কূটনীতিকেরা
একই
সঙ্গে
আলোচনা

যুদ্ধ
চালিয়ে
যাওয়ার
অজুহাত
হিসেবে
ব্যবহার
করতে
পারেন।এর
মাধ্যমে
যখন
যুদ্ধক্ষেত্রে
সুবিধাজনক
অবস্থানে
থাকবে,
তখন
তারা
চুক্তি
করতে
চাইবে।

ট্যাগঃ

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় কিয়েভ নয়, মস্কোর স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে

আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন
যুদ্ধ
বন্ধে
একটি
শান্তি
পরিকল্পনার
খসড়া
করেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প।
তাঁর
প্রস্তাবিত
২৮
দফা
এই
পরিকল্পনার
খসড়া
ফাঁস
হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা
মনে
করছেন,
ট্রাম্পের
শান্তি
পরিকল্পনায়
রাশিয়ার
প্রায়
সব
চাওয়া
পূরণ
হবে।
অন্যদিকে
আরও
কোণঠাসা
হবে
ইউক্রেন।

ট্রাম্পের
খসড়া
প্রস্তাবে
২০২২
সালে
ইস্তাম্বুলে
হওয়া
আলোচনায়
রাশিয়ার
দাবির
সঙ্গে
বড়
সামঞ্জস্য
রয়েছে।
তখন
বর্তমানের
চেয়ে
ইউক্রেনের
আরও
বেশি
ভূখণ্ড
রাশিয়ার
দখলে
ছিল।
আর
গত
তিন
বছরে
যুদ্ধক্ষেত্রে
সামরিকভাবে
বিভিন্ন
দিকে
মস্কোর
যেসব
ব্যর্থতা,
তা
আলোচনায়
ছিল
না।

ট্রাম্পের
পরিকল্পনা
কার্যকর
হলে
রাশিয়ার
প্রাথমিক
দুটি
লক্ষ্য
পূরণ
হবে।
প্রথমত,
এতে
এমন
সব
শর্ত
রয়েছে,
যেগুলো
রাশিয়ার
জন্য
এতটাই
সুবিধাজনক
যে
এর
সামান্য
অংশ
মানলেও
তা
হবে
মস্কোর
জন্য
বড়
জয়।
দ্বিতীয়ত,
এটাকে
রাশিয়ান
কূটনীতিকেরা
একই
সঙ্গে
আলোচনা

যুদ্ধ
চালিয়ে
যাওয়ার
অজুহাত
হিসেবে
ব্যবহার
করতে
পারেন।এর
মাধ্যমে
যখন
যুদ্ধক্ষেত্রে
সুবিধাজনক
অবস্থানে
থাকবে,
তখন
তারা
চুক্তি
করতে
চাইবে।