০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুড়িয়ে দেওয়া এক ভবনের ‘আলো’ ও হিটলারের বই পোড়ানোর গল্প

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 18

রাজধানী
বার্লিনে
বিভিন্ন
বইয়ের
দোকান,
প্রকাশনা
প্রতিষ্ঠান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের
লাইব্রেরিগুলো
থেকে
জোর
করে
বই
ছিনিয়ে
আনা
হতো।

মার্ক্সবাদী,
ইহুদি,
বাম
ঘরনা,
শান্তিবাদী
এবং
অন্যান্য
বিরোধী
বা
রাজনৈতিক
মতাদর্শের
লেখকদের
বই
সংগ্রহ
করে
ট্রাকে
তোলা
হয়েছিল।

পরে
এই
বইভর্তি
ট্রাকগুলো
বার্লিনের
বিখ্যাত
উন্টার
দেন
লিন্ডেন
সড়কে
এনে
স্তূপ
করে
রাখা
হতো।
হিটলারের
দলের
ছাত্র

যুব
ফ্রন্ট
মশালমিছিল
সহযোগে
বইগুলো
বহন
করে
ব্যাবল
স্কয়ারে
এনে
আগুনে
নিক্ষেপ
করত।

নাৎসিদের
এই
বই
বহ্নিশিখা
উৎসব
কয়েক
মাস
ধরে
চলেছিল।
এই
বই
পোড়ানো
ছিল
‘অ্যাকশন
এগেইনস্ট
দ্য
আন-জার্মান
স্পিরিট’–এর
ক্লাইম্যাক্স।

১৯৩৩
সালে
১০
মে
দাউ
দাউ
করে
জ্বলে
উঠেছিল
বরেণ্য
সব
জার্মান
লেখকের
জড়ো
করে
রাখা
বইয়ের
স্তূপ।

সাংস্কৃতিক
জাতি
নামে
খ্যাত
জার্মানির
গৌরব
মলিন
হওয়ার
পথ
ধরেছিল।
বার্লিনের
বিখ্যাত
উন্টার
দেন
লিন্ডেন
সড়কের
ব্যাবল
স্কয়ারের
সেই
ঘটনা
এখনো
স্মরণ
করা
হয়।
ব্যাবল
স্কয়ারের
বই
পোড়াবার
সেই
স্থান
মোটা
কাচ
দিয়ে
আবৃত।
কাচের
ভেতর
দিয়ে
নিচে
তাকালে
সারি
সারি
বইয়ের
আলমারি
দেখা
যায়।

বাংলাদেশে
এই
স্বনামধন্য
দুই
পত্রিকা
অফিসে
আগুন
দেওয়ার
ঘটনা
নাৎসি
আমলে
জার্মানির
কথা
স্মরণ
করিয়ে
দিচ্ছে।

বাংলাদেশেও
বর্তমানে
একটি
বিশেষ
গোষ্ঠী
ক্রমে
বিভ্রান্তিকর
অপতথ্য
ছড়িয়ে
বাংলাদেশকে,
বাঙালি
সংস্কৃতিকেও
পশ্চাদমুখী
করতে
চাচ্ছে।

দেশ–বিদেশে
প্রথম
আলো
আর
ডেইলি
স্টার
পত্রিকা
দুটির
রয়েছে
অসংখ্য
পাঠক–অনুরাগী।
আবার
রয়েছে
সমালোচক।
বাংলাদেশের
নানা
সামাজিক
কাঠামোতে
যখন
বৈষম্য
আর
অনিয়ম
রয়েছে,
তখন
পত্রিকা
দুটি
সংবাদপত্রের
জগতে
আইকন
হিসেবে
দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ডিএমপির গুলশান ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রদবদল

পুড়িয়ে দেওয়া এক ভবনের ‘আলো’ ও হিটলারের বই পোড়ানোর গল্প

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানী
বার্লিনে
বিভিন্ন
বইয়ের
দোকান,
প্রকাশনা
প্রতিষ্ঠান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের
লাইব্রেরিগুলো
থেকে
জোর
করে
বই
ছিনিয়ে
আনা
হতো।

মার্ক্সবাদী,
ইহুদি,
বাম
ঘরনা,
শান্তিবাদী
এবং
অন্যান্য
বিরোধী
বা
রাজনৈতিক
মতাদর্শের
লেখকদের
বই
সংগ্রহ
করে
ট্রাকে
তোলা
হয়েছিল।

পরে
এই
বইভর্তি
ট্রাকগুলো
বার্লিনের
বিখ্যাত
উন্টার
দেন
লিন্ডেন
সড়কে
এনে
স্তূপ
করে
রাখা
হতো।
হিটলারের
দলের
ছাত্র

যুব
ফ্রন্ট
মশালমিছিল
সহযোগে
বইগুলো
বহন
করে
ব্যাবল
স্কয়ারে
এনে
আগুনে
নিক্ষেপ
করত।

নাৎসিদের
এই
বই
বহ্নিশিখা
উৎসব
কয়েক
মাস
ধরে
চলেছিল।
এই
বই
পোড়ানো
ছিল
‘অ্যাকশন
এগেইনস্ট
দ্য
আন-জার্মান
স্পিরিট’–এর
ক্লাইম্যাক্স।

১৯৩৩
সালে
১০
মে
দাউ
দাউ
করে
জ্বলে
উঠেছিল
বরেণ্য
সব
জার্মান
লেখকের
জড়ো
করে
রাখা
বইয়ের
স্তূপ।

সাংস্কৃতিক
জাতি
নামে
খ্যাত
জার্মানির
গৌরব
মলিন
হওয়ার
পথ
ধরেছিল।
বার্লিনের
বিখ্যাত
উন্টার
দেন
লিন্ডেন
সড়কের
ব্যাবল
স্কয়ারের
সেই
ঘটনা
এখনো
স্মরণ
করা
হয়।
ব্যাবল
স্কয়ারের
বই
পোড়াবার
সেই
স্থান
মোটা
কাচ
দিয়ে
আবৃত।
কাচের
ভেতর
দিয়ে
নিচে
তাকালে
সারি
সারি
বইয়ের
আলমারি
দেখা
যায়।

বাংলাদেশে
এই
স্বনামধন্য
দুই
পত্রিকা
অফিসে
আগুন
দেওয়ার
ঘটনা
নাৎসি
আমলে
জার্মানির
কথা
স্মরণ
করিয়ে
দিচ্ছে।

বাংলাদেশেও
বর্তমানে
একটি
বিশেষ
গোষ্ঠী
ক্রমে
বিভ্রান্তিকর
অপতথ্য
ছড়িয়ে
বাংলাদেশকে,
বাঙালি
সংস্কৃতিকেও
পশ্চাদমুখী
করতে
চাচ্ছে।

দেশ–বিদেশে
প্রথম
আলো
আর
ডেইলি
স্টার
পত্রিকা
দুটির
রয়েছে
অসংখ্য
পাঠক–অনুরাগী।
আবার
রয়েছে
সমালোচক।
বাংলাদেশের
নানা
সামাজিক
কাঠামোতে
যখন
বৈষম্য
আর
অনিয়ম
রয়েছে,
তখন
পত্রিকা
দুটি
সংবাদপত্রের
জগতে
আইকন
হিসেবে
দাঁড়িয়েছে।