কলকাতার
উপকণ্ঠে
কঠোর
নিরাপত্তাবেষ্টিত
এলাকায়
একটি
বিলাসবহুল
ভবনে
থাকা
আওয়ামী
লীগের
যুগ্ম
সাধারণ
সম্পাদক
ও
সাবেক
সংসদ
সদস্য
আ
ফ
ম
বাহাউদ্দিন
নাছিম
বলেন,
‘ওটা
কোনো
স্বতঃস্ফূর্ত
বিপ্লব
ছিল
না,
এটা
ছিল
আমাদের
গণতান্ত্রিক
সরকারকে
উৎখাত
করার
জন্য
সন্ত্রাসীদের
ক্ষমতা
দখল।’
তিনি
যে
হত্যা
ও
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
অভিযোগের
মুখোমুখি
হয়েছেন,
সে
বিষয়ে
প্রতিক্রিয়া
জানাতে
গিয়ে
হেসে
ফেলেন।
তিনি
বলেন,
‘মিথ্যা,
মিথ্যা,
মিথ্যা।’
এখন
পর্যন্ত
আওয়ামী
লীগের
নির্বাসিত
এসব
নেতার
প্রত্যাবর্তনের
পরিকল্পনা
নির্ভর
করছে
আসন্ন
নির্বাচনের
ব্যর্থতার
ওপর।
তাঁদের
দাবি,
এই
নির্বাচন
দেশে
কোনো
স্থিতিশীলতা
বা
শান্তি
বয়ে
আনবে
না
এবং
শেষ
পর্যন্ত
মানুষ
আবার
আওয়ামী
লীগের
দিকেই
ফিরবে।
২০২৪
সালের
আগস্ট
থেকে
কলকাতায়
বসবাস
করছেন
আওয়ামী
লীগের
সাবেক
সংসদ
সদস্য
তানভীর
শাকিল
জয়।
দলটির
যাঁরা
অতীতের
‘ভুল’
স্বীকার
করছেন,
হাতে
গোনা
সেই
ব্যক্তিদের
একজন
তিনি।
জয়
বলেন,
‘আমি
স্বীকার
করছি
যে
আমরা
সাধু
ছিলাম
না।
আমরা
কর্তৃত্ববাদী
ছিলাম।
আমরা
পুরোপুরি
গণতান্ত্রিক
ছিলাম
না।
আমি
একমত
যে
২০১৮
সালের
নির্বাচন
পুরোপুরি
ঠিকমতো
হয়নি।
আমরা
আশা
করেছিলাম,
সেটি
আরও
সুষ্ঠু
ও
স্বচ্ছ
হতে
পারত।
এটা
দুর্ভাগ্যজনক।’
দুর্নীতি
ও
লুটপাটের
বিষয়ে
জয়ের
স্বীকারোক্তি,
‘অবশ্যই
অনিয়ম
ছিল।
এমন
কিছু
আর্থিক
লেনদেন
হয়েছে,
যেগুলো
হওয়া
উচিত
ছিল
না
এবং
এর
দায়
আমাদের
নিতে
হবে।’
তবে
শেখ
হাসিনার
১৫
বছরের
শাসনামলে
রাষ্ট্রীয়
কোষাগার
থেকে
আনুমানিক
২০০
বিলিয়ন
ডলার
পাচারের
অভিযোগ
অস্বীকার
করেন
তিনি।
কলকাতায়
অবস্থানরত
অন্যদের
মতো
জয়ও
জোর
দিয়ে
বলেন,
ভারতে
তাঁর
এই
নির্বাসন
দীর্ঘস্থায়ী
হবে
না।
যদিও
তিনি
মেনে
নিয়েছেন—শেষমেশ
দেশে
ফিরলে
তাঁর
জন্য
হয়তো
কারাগারই
অপেক্ষা
করছে।
তিনি
বলেন,
‘এখন
আমাদের
জন্য
সবকিছু
খুব
খারাপ।
কিন্তু
মনে
করি
না
যে
বেশি
দিন
এমন
থাকবে।’
এডমিন 














