অন্যদিকে
নোয়াখালীগামী
একটি
বাসে
উঠেছিলেন
সায়মা
আক্তার।
দুই
ছেলেকে
নিয়ে
তিনি
গ্রামে
ফিরছেন।
সায়মা
বলেন,
‘পরে
গেলে
খুব
ভিড়
থাকে।
বাচ্চাদের
নিয়ে
যাতায়াত
কষ্ট
হয়।
তাই
আগেই
চলে
যাচ্ছি।’
তবে
তাঁর
স্বামী
লুৎফর
রহমান
এখনই
যেতে
পারছেন
না।
তিনি
জানান,
তাঁর
স্বামীর
এখনো
ছুটি
হয়নি।
ঈদের
আগের
দিন
তিনি
বাড়ি
যাবেন।
নগরের
অলংকার
ও
এ
কে
খান
এলাকার
বাস
কাউন্টারগুলোতে
এখনো
তেমন
চাপ
দেখা
যায়নি।
কাউন্টারের
কয়েকজন
কর্মচারী
বলেন,
ঈদের
আর
কয়েক
দিন
বাকি।
সাধারণত
ঈদের
তিন-চার
দিন
আগে
থেকে
যাত্রীর
চাপ
হঠাৎ
বেড়ে
যায়।
তখন
বাসের
টিকিট
পাওয়া
কঠিন
হয়ে
পড়ে।
গ্রিন
লাইন
পরিবহনের
এ
কে
খান
কাউন্টারের
বিক্রয়
প্রতিনিধি
মো.
মেহেদি
হাসান
বলেন,
এখনো
যাত্রীর
চাপ
খুব
বেশি
নয়।
তবে
সরকারি
ছুটি
শুরু
হলে
যাত্রীর
সংখ্যা
বাড়তে
পারে।
এডমিন 














