ডায়াবেটিসে
ওষুধ
বা
ইনসুলিনের
ভূমিকা
নিয়ে
কথা
বলেন
বাংলাদেশ
এন্ডোক্রাইন
সোসাইটির
সভাপতি
ও
বারডেমের
এন্ডোক্রাইন
বিভাগের
সহযোগী
অধ্যাপক
ফারিয়া
আফসানা।
তিনি
বলেন,
ডায়াবেটিসজনিত
জটিলতা
কমাতে
ভূমিকা
রাখে
ওষুধ
ও
ইনসুলিন।
ডায়াবেটিক
রোগীর
রক্তে
শর্করা
বেশি
থাকা
এবং
ইনসুলিন
কম
থাকা
ঝুঁকির।
কোন
ওষুধ
কাকে
দিতে
হবে,
কেন
দিতে
হবে,
সেটি
বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসকের
বিবেচনার
বিষয়।
ওষুধ
ও
ইনসুলিন
জীবন
রক্ষা
করে।
জীবনযাপন
পদ্ধতি
ও
খাদ্যাভ্যাস
ডায়াবেটিস
প্রতিরোধে
এবং
ডায়াবেটিক
রোগীর
জীবন
স্বাভাবিক
রাখতে
ভূমিকা
রাখে
বলে
মন্তব্য
করেন
বাংলাদেশ
মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয়ের
এন্ডোক্রাইনোলজি
বিভাগের
সহযোগী
অধ্যাপক
শাহজাদা
সেলিম।
এই
বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক
বলেন,
ঝুঁকি
বাড়ে
খাদ্যে
শর্করা
বেশি,
আমিষ
কম
থাকলে।
ঝুঁকি
বাড়ে
দিনে
তিনবার,
প্রতিবারে
বেশি
খেলে।
খেতে
হবে
ছয়বার,
প্রতিবার
কম
কম
করে।
একপর্যায়ে
ওষুধ
ছাড়াই
ভালো
থাকা
সম্ভব
হয়
যদি
আদর্শ
খাবার
তালিকা
অনুসরণ
করে
খাওয়া
যায়।
তিনি
আরও
বলেন,
চাপমুক্ত
জীবন,
আনন্দময়
জীবন
ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণে
সহায়ক।
ঢাকা
মেডিকেল
কলেজের
এন্ডোক্রাইনোলজি
বিভাগের
সহযোগী
অধ্যাপক
ও
বাংলাদেশ
এন্ডোক্রাইন
সোসাইটির
সাধারণ
সম্পাদক
এম
সাইফুদ্দিন
বলেন,
শারীরিক
গঠনের
কারণে
এশিয়ার
মানুষের
মধ্যে
ডায়াবেটিসের
ঝুঁকি
তুলনামূলকভাবে
বেশি।
যাঁরা
স্থূল,
যাঁদের
উচ্চ
রক্তচাপ
বা
হৃদ্রোগ
আছে,
যাঁরা
কায়িক
শ্রম
কম
করেন,
যাঁদের
ঘাড়
ও
বগলের
কাছে
কালো
রং
আছে,
তাঁদের
ঝুঁকি
আছে
বলে
ধরা
যায়।
যাঁদের
ওজন
কমছে,
পানি
পিপাসা
বেশি
থাকে
তাঁদেরও
ঝুঁকি
বেশি।
রক্তে
শর্করা
পরিমাপ
করেও
বলা
যায়
কার
ঝুঁকি
বেশি
বা
কে
ডায়াবেটিক
রোগী।
তিনি
বলেন,
যাঁদের
বয়স
২০
বছরের
বেশি,
তাঁদের
প্রতিবছর
একবার
করে
ডায়াবেটিস
পরীক্ষা
করা
উচিত।
এডমিন 
















