০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তপ্ত মুহূর্ত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • 16

এসব
দিক
দিয়ে
আগামী
নির্বাচন
নিয়ে
বিশেষ
করে
উচ্চ
ঝুঁকি
রয়েছে।
একটি
অবাধ

সুষ্ঠু
ভোটের
জন্য
জনগণের
বিপুল
প্রত্যাশা
রয়েছে।
বাংলাদেশের
মানুষ
২০০৮
সাল
থেকে
অবাধ

সুষ্ঠু
নির্বাচন
দেখেনি।
দক্ষিণ
এশিয়ার
নির্বাচনী
রাজনীতিতে
সহিংসতা
অস্বাভাবিক
কোনো
ঘটনা
নয়।
তাই
নির্বাচনী
প্রচারের
সময়
থেকে
শুরু
করে
ভোটের
দিন
পর্যন্ত
সহিংসতার
ঝুঁকি
সামলানো
সবচেয়ে
বড়
অগ্রাধিকার।
যদিও
আওয়ামী
লীগের
নেতা–কর্মীরাই
সবচেয়ে
বড়
হুমকি
হতে
পারেন।
তবে
অন্যরাও
সহিংসতায়
জড়াতে
পারে।

ঢাকার
জন্য
চ্যালেঞ্জ
আরও
বাড়িয়ে
তুলেছে
দেশটির
পুলিশ
বাহিনী।
গত
বছর
প্রাণঘাতী
দমন–পীড়নের
কারণে
তীব্র
সমালোচনার
পর
কঠোর
পদক্ষেপ
নিতে
দ্বিধাগ্রস্ত
হয়ে
পড়েছে
তারা।
বাহিনীটির
মনোবলের
ঘাটতি

দুর্বল
তৎপরতা
নিয়ে
অভ্যন্তরীণ
উদ্বেগ
প্রশ্নের
জন্ম
দিয়েছে,
রাজনৈতিক
সহিংসতা
সামাল
দেওয়ার
ক্ষেত্রে
রাষ্ট্রের
সক্ষমতা
কতটা।

নির্বাচনী
সময়ে
অপেক্ষাকৃত
শান্তি
নিশ্চিত
করতে
পারলে
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী
সরকারের
মাথা
উঁচু
করে
বিদায়
নেওয়ার
সুযোগ
আসবে।
সরকারপ্রধান
নোবেলজয়ী
অধ্যাপক
মুহাম্মদ
ইউনূস
ছাড়া
খুব
কম
ব্যক্তিরই

নিয়ে
জোরালো
তাড়না
রয়েছে।
অধ্যাপক
ইউনূস
ব্যক্তিগত
জীবনে
ফেরার
প্রস্তুতির
সময়
নিজের
কৃতিত্বের
কথা
মনে
রাখবেন।


মাইকেল
কুগেলম্যান
প্রায়
দুই
দশক
ধরে
দক্ষিণ
এশিয়া
নিয়ে
কাজ
করছেন।
দক্ষিণ
এশিয়াবিষয়ক
বিশ্লেষক
হিসেবে
তিনি
মার্কিন
সাময়িকী
ফরেন
পলিসির
সাউথ
এশিয়া
ব্রিফে
এই
লেখা
লিখেছেন।
বুধবার
লেখাটি
প্রকাশিত
হয়।

ট্যাগঃ

সহিংসতায় উসকানির মামলায় ইউটিউবার-সাংবাদিকসহ ৭ জনের ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তপ্ত মুহূর্ত

আপডেট সময়ঃ ১২:১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

এসব
দিক
দিয়ে
আগামী
নির্বাচন
নিয়ে
বিশেষ
করে
উচ্চ
ঝুঁকি
রয়েছে।
একটি
অবাধ

সুষ্ঠু
ভোটের
জন্য
জনগণের
বিপুল
প্রত্যাশা
রয়েছে।
বাংলাদেশের
মানুষ
২০০৮
সাল
থেকে
অবাধ

সুষ্ঠু
নির্বাচন
দেখেনি।
দক্ষিণ
এশিয়ার
নির্বাচনী
রাজনীতিতে
সহিংসতা
অস্বাভাবিক
কোনো
ঘটনা
নয়।
তাই
নির্বাচনী
প্রচারের
সময়
থেকে
শুরু
করে
ভোটের
দিন
পর্যন্ত
সহিংসতার
ঝুঁকি
সামলানো
সবচেয়ে
বড়
অগ্রাধিকার।
যদিও
আওয়ামী
লীগের
নেতা–কর্মীরাই
সবচেয়ে
বড়
হুমকি
হতে
পারেন।
তবে
অন্যরাও
সহিংসতায়
জড়াতে
পারে।

ঢাকার
জন্য
চ্যালেঞ্জ
আরও
বাড়িয়ে
তুলেছে
দেশটির
পুলিশ
বাহিনী।
গত
বছর
প্রাণঘাতী
দমন–পীড়নের
কারণে
তীব্র
সমালোচনার
পর
কঠোর
পদক্ষেপ
নিতে
দ্বিধাগ্রস্ত
হয়ে
পড়েছে
তারা।
বাহিনীটির
মনোবলের
ঘাটতি

দুর্বল
তৎপরতা
নিয়ে
অভ্যন্তরীণ
উদ্বেগ
প্রশ্নের
জন্ম
দিয়েছে,
রাজনৈতিক
সহিংসতা
সামাল
দেওয়ার
ক্ষেত্রে
রাষ্ট্রের
সক্ষমতা
কতটা।

নির্বাচনী
সময়ে
অপেক্ষাকৃত
শান্তি
নিশ্চিত
করতে
পারলে
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী
সরকারের
মাথা
উঁচু
করে
বিদায়
নেওয়ার
সুযোগ
আসবে।
সরকারপ্রধান
নোবেলজয়ী
অধ্যাপক
মুহাম্মদ
ইউনূস
ছাড়া
খুব
কম
ব্যক্তিরই

নিয়ে
জোরালো
তাড়না
রয়েছে।
অধ্যাপক
ইউনূস
ব্যক্তিগত
জীবনে
ফেরার
প্রস্তুতির
সময়
নিজের
কৃতিত্বের
কথা
মনে
রাখবেন।


মাইকেল
কুগেলম্যান
প্রায়
দুই
দশক
ধরে
দক্ষিণ
এশিয়া
নিয়ে
কাজ
করছেন।
দক্ষিণ
এশিয়াবিষয়ক
বিশ্লেষক
হিসেবে
তিনি
মার্কিন
সাময়িকী
ফরেন
পলিসির
সাউথ
এশিয়া
ব্রিফে
এই
লেখা
লিখেছেন।
বুধবার
লেখাটি
প্রকাশিত
হয়।