মডেলিংয়ের
পথও
খুব
সহজ
ছিল
না।
এক
শুটিংয়ের
অভিজ্ঞতা
তুলে
ধরে
শুভ
বলেন,
‘একটা
বিজ্ঞাপনচিত্রে
ডন
ছিলেন
মডেল,
আর
আমি
ছিলাম
ছাগলের
তিন
নম্বর
বাচ্চা।
কিন্তু
আমার
স্বপ্ন
বড়
ছিল।
তাই
সেখান
থেকেই
উঠে
আজ
আমি
নায়ক।’
২০১০
সালে
খিজির
হায়াত
খান
পরিচালিত
‘জাগো’
চলচ্চিত্রের
মাধ্যমে
বড়
পর্দায়
অভিষেক
হয়
শুভর।
এরপর
২০১২
সালে
মোস্তফা
কামাল
রাজের
‘ছায়াছবি’
সিনেমায়
অভিনয়
করেন
তিনি
(যদিও
ছবিটি
মুক্তি
পায়নি)।
এই
ছবিতে
তাঁর
নায়িকা
ছিলেন
পূর্ণিমা।
এরপর
একে
একে
অভিনয়
করেন
‘পূর্ণদৈর্ঘ্য
প্রেমকাহিনী’,
‘ভালোবাসা
জিন্দাবাদ’,
‘অগ্নি’,
‘তারকাঁটা’,
‘কিস্তিমাত’,
‘ছুঁয়ে
দিলে
মন’,
‘আয়নাবাজি’,
‘ধ্যাততেরিকি’,
‘ঢাকা
অ্যাটাক’,
‘মিশন
এক্সট্রিম’,
‘মুজিব:
একটি
জাতির
রূপকার’,
‘নীলচক্র’
ও
‘নূর’–এর
মতো
সিনেমায়।
বহুমাত্রিক
চরিত্র
আর
শক্তিশালী
অভিনয়ে
তিনি
নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত
করেন
ঢালিউডের
প্রথম
সারির
নায়কদের
কাতারে।
এডমিন 














