চব্বিশের
গণ–অভ্যুত্থানের
পর
পিতৃতান্ত্রিকতা
মানসিকতা
জোরালোভাবে
আবারও
এসেছে
বলে
মন্তব্য
করেন
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক
তাসলিমা
মির্জা।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
দেখি,
নারীকে
পিঠ
চাপড়ে
দিতে
অনেকে
থাকেন,
কিন্তু
সামনে
হাঁটার
রাস্তা
কেউ
তৈরি
করে
দিতে
চায়
না।’
অনুষ্ঠানে
প্রধান
আলোচক
হিসেবে
ছিলেন
তথ্য
ও
সম্প্রচার
উপদেষ্টা
মাহফুজ
আলম।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
হেনস্তার
প্রসঙ্গে
বলতে
গিয়ে
নিজেও
অনলাইনে
‘বট
বাহিনী’র
আক্রমণের
শিকার
হওয়ার
কথা
বলেন
উপদেষ্টা
মাহফুজ
আলম।
আগে
যারা
আক্রান্ত
ছিল,
তারা
এখন
আক্রমণকারী
হয়ে
উঠছে
বলেও
মন্তব্য
করেন
তিনি।
টিভি
উপস্থাপক
কাজী
জেসিনের
সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত
এই
গোলটেবিলে
মূল
প্রবন্ধ
উপস্থাপন
করেন
বিজ্ঞানী
মুনিয়া
আমিন;
বক্তব্য
দেন
নাগরিক
ঐক্যের
সভাপতি
মাহমুদুর
রহমান
মান্না,
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান
তারেক
রহমানের
উপদেষ্টা
মাহদী
আমিন,
গণসংহতি
আন্দোলনের
প্রধান
সমন্বয়কারী
জোনায়েদ
সাকি,
আলোকচিত্রী
শহিদুল
আলম,
বিএনপির
স্বনির্ভরবিষয়ক
সম্পাদক
ও
সাবেক
সংসদ
সদস্য
নিলুফার
চৌধুরী,
খান
ফাউন্ডেশনের
চেয়ারম্যান
রোখসানা
খান,
এনসিপির
সিনিয়র
যুগ্ম
আহ্বায়ক
সামন্তা
শারমিন,
চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক
মোশরেফা
হক
অদিতি,
ডিজিটাল
সিকিউরিটি
আইনে
কারা
ভোগকারী
জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী
খাদিজাতুল
কোবরা,
মানবাধিকারকর্মী
তাসলিমা
আক্তার,
আইনজীবী
ফাহিমা
নাসরিন,
এবি
পার্টির
যুগ্ম
সাধারণ
সম্পাদক
নাসরিন
সুলতানা
ও
পোশাকশ্রমিক
পারুল
বেগম।
এডমিন 












