০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মারা গেছেন

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 7

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. আসাদুজ্জামান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন। গত ৪ মার্চ থেকে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মো. আসাদুজ্জামান ১৯৯৬ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশে নিরস্ত্র উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পেশাগত দক্ষতা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পিপিএম (বার) পদকে ভূষিত হন।

তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানাধীন ছোট আজলদি গ্রামের (দারোগা বাড়ি) সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মকবুল হোসেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন মেধাবী। ১৯৮৭ সালে নাবান্দী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮৯ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি শেখ সানজিদা চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন তিনি। তার বড় মেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী এবং ছেলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত।

দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে সহকর্মী ও অধস্তনদের কাছে শ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠা এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান বলেন, সহকর্মী আসাদুজ্জামান একজন অত্যন্ত বিনয়ী, নম্র ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি শুধু দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবেই নয়, একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ হিসেবেও সহকর্মীদের নিয়মিত পরামর্শ দিতেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ পরিবারের পক্ষ থেকে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। 

এমডিএএ/এমকেআর

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মারা গেছেন

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. আসাদুজ্জামান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন। গত ৪ মার্চ থেকে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মো. আসাদুজ্জামান ১৯৯৬ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশে নিরস্ত্র উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পেশাগত দক্ষতা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পিপিএম (বার) পদকে ভূষিত হন।

তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানাধীন ছোট আজলদি গ্রামের (দারোগা বাড়ি) সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মকবুল হোসেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন মেধাবী। ১৯৮৭ সালে নাবান্দী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮৯ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি শেখ সানজিদা চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন তিনি। তার বড় মেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী এবং ছেলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত।

দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে সহকর্মী ও অধস্তনদের কাছে শ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠা এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান বলেন, সহকর্মী আসাদুজ্জামান একজন অত্যন্ত বিনয়ী, নম্র ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি শুধু দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবেই নয়, একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ হিসেবেও সহকর্মীদের নিয়মিত পরামর্শ দিতেন। তার মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ পরিবারের পক্ষ থেকে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। 

এমডিএএ/এমকেআর