১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, নেটদুনিয়ায় সমালোচনা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • 3

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনরা বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

এফএম মিজানুর রহমান লিখেছেন, ‘সিলেটের জেলা প্রশাসক সরোয়ার আলমকে প্রত্যাহার/বদলি। এবার বুঝে নেন বাকিটা… ভালো কাজের মূল্য এভাবেই চুকাতে হবে আর টক শোর আলোচনায় বলবো দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই!’

মাহবুব কবির মিলন লিখেছেন, ‘এই জাতির এটাই স্বাভাবিক চিত্র নয় কি! এতদিন যে জেলা প্রশাসক ছিল, এটাই তো অস্বাভাবিক। যদিও তাঁকে বহুবার ফোনে বলেছি, বুলডোজার চালিয়ে দুই দিনেই প্রত্যাহার হলেও সমস্যা নেই। তবুও কমপ্রোমাইজ করবে না। কাউকে না কাউকে তো জেগে থাকতেই হবে।’

আরও পড়ুন

‘হাদি ভাইকে যেন ভুলে না যাই’

সাখাওয়াত মিশু লিখেছেন, ‘সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডিসি সারওয়ার আলম। শনিবার নতুন দানবাক্স বসিয়ে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন তিনি। একদিন পরই তাকে প্রত্যাহার করা হলো।’

বিল্লাল এইচ তালুকদার রাজু লিখেছেন, ‘দুঃখিত! জনাব সারওয়ার আলম সাহেব! আপনি অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে এসেছেন। এটাই আপনার অপরাধ। যে দেশের মানুষ জন্মগ্রহণ করে অসৎভাবে; সে দেশের মানুষ সততাকে কিভাবে সম্মান দিবে বলেন? এ দেশে ভালো কাজের সুযোগ নাই। এস্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে আপনি অব্যাহতভাবে ভালো করে যাবেন, এ হতেই পারে না।’

আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, ‘জনাব সারোয়ার আলম, আপনাকে মানুষ হতে কে বলেছিল? আপনি করবেন দুর্নীতি। আপনি দখলবাজ-লুটেরাদের সাথে রাতের বেলা ডিনারে গিয়ে মদ খাবেন। আর সকালবেলা পবিত্র সাজবেন। ঘুষ খেয়ে ইউরোপ-অ্যামেরিকায় বেগম পাড়া বানাবেন। নিজ এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা করে দানবীর হবেন।’

আরও পড়ুন

টাকার চেয়ে একজন মানুষের জীবন কি এত সস্তা?

তিনি লিখেছেন, ‘আপনাকে মানুষ হতে কে বলেছিল? সাব-হিউম্যানদের দেশে আপনি মানুষ হতে গেলেন কেন? আপনাকে যে শূলে চড়াচ্ছে না। এটাই বেশি। শুকরিয়া আদায় করুন। কয়েক দশক ধরে বলছি- বাংলাদেশে যারা বাস করে; তাঁদের বেশিরভাগই সাব-হিউম্যান। আপনি যদি মানুষ হন। বাংলাদেশ আপনার জন্য নয়। এটা ভাগাড় ছিল, আছে এবং থাকবে। ফুল স্টপ।’

এসইউ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সরকারি দপ্তরে শূন্যপদ সাড়ে ৪ লাখের বেশি: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, নেটদুনিয়ায় সমালোচনা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনরা বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

এফএম মিজানুর রহমান লিখেছেন, ‘সিলেটের জেলা প্রশাসক সরোয়ার আলমকে প্রত্যাহার/বদলি। এবার বুঝে নেন বাকিটা… ভালো কাজের মূল্য এভাবেই চুকাতে হবে আর টক শোর আলোচনায় বলবো দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই!’

মাহবুব কবির মিলন লিখেছেন, ‘এই জাতির এটাই স্বাভাবিক চিত্র নয় কি! এতদিন যে জেলা প্রশাসক ছিল, এটাই তো অস্বাভাবিক। যদিও তাঁকে বহুবার ফোনে বলেছি, বুলডোজার চালিয়ে দুই দিনেই প্রত্যাহার হলেও সমস্যা নেই। তবুও কমপ্রোমাইজ করবে না। কাউকে না কাউকে তো জেগে থাকতেই হবে।’

আরও পড়ুন

‘হাদি ভাইকে যেন ভুলে না যাই’

সাখাওয়াত মিশু লিখেছেন, ‘সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা আনতে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডিসি সারওয়ার আলম। শনিবার নতুন দানবাক্স বসিয়ে সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন তিনি। একদিন পরই তাকে প্রত্যাহার করা হলো।’

বিল্লাল এইচ তালুকদার রাজু লিখেছেন, ‘দুঃখিত! জনাব সারওয়ার আলম সাহেব! আপনি অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে এসেছেন। এটাই আপনার অপরাধ। যে দেশের মানুষ জন্মগ্রহণ করে অসৎভাবে; সে দেশের মানুষ সততাকে কিভাবে সম্মান দিবে বলেন? এ দেশে ভালো কাজের সুযোগ নাই। এস্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে আপনি অব্যাহতভাবে ভালো করে যাবেন, এ হতেই পারে না।’

আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, ‘জনাব সারোয়ার আলম, আপনাকে মানুষ হতে কে বলেছিল? আপনি করবেন দুর্নীতি। আপনি দখলবাজ-লুটেরাদের সাথে রাতের বেলা ডিনারে গিয়ে মদ খাবেন। আর সকালবেলা পবিত্র সাজবেন। ঘুষ খেয়ে ইউরোপ-অ্যামেরিকায় বেগম পাড়া বানাবেন। নিজ এলাকায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা করে দানবীর হবেন।’

আরও পড়ুন

টাকার চেয়ে একজন মানুষের জীবন কি এত সস্তা?

তিনি লিখেছেন, ‘আপনাকে মানুষ হতে কে বলেছিল? সাব-হিউম্যানদের দেশে আপনি মানুষ হতে গেলেন কেন? আপনাকে যে শূলে চড়াচ্ছে না। এটাই বেশি। শুকরিয়া আদায় করুন। কয়েক দশক ধরে বলছি- বাংলাদেশে যারা বাস করে; তাঁদের বেশিরভাগই সাব-হিউম্যান। আপনি যদি মানুষ হন। বাংলাদেশ আপনার জন্য নয়। এটা ভাগাড় ছিল, আছে এবং থাকবে। ফুল স্টপ।’

এসইউ