০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলের দৌড়ে কে কতটা এগিয়ে?

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • 1

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষের পথে। দলগুলোর মূল লক্ষ্য শিরোপা জয় হলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিগুলোর একটি গোল্ডেন বল নিয়েও চলছে তুমুল লড়াই। টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনায় গোল্ডেন বল জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও মাইকেল ওলিসে।

গোল্ডেন বল শুধু সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নয়। গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ভোটে নির্ধারিত এই সম্মাননা দেওয়া হয় পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে একজন ফুটবলারের সামগ্রিক প্রভাব, নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।

ইতিহাসে বেশিরভাগ সময় এই পুরস্কার জিতেছেন ফরোয়ার্ডরা। তবে মিডফিল্ডার এমনকি একজন গোলরক্ষকও গোল্ডেন বল জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। পাওলো রোসি, দিয়েগো ম্যারাডোনা, সালভাতোরে স্কিলাচ্চি, রোমারিও, রোনালদো, অলিভার কান, জিনেদিন জিদান ও দিয়েগো ফোরলান এই পুরস্কারের সাবেক বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন। এখনও খেলছেন এমন ফুটবলারদের মধ্যে কেবল লিওনেল মেসি ও লুকা মদ্রিচ এই তালিকায় আছেন।

২০১৪ ও ২০২২ সালে গোল্ডেন বল জিতে ইতিহাসের একমাত্র দুইবারের বিজয়ী হয়েছেন মেসি। এবার টানা দ্বিতীয়বার এবং মোট তৃতীয়বার এই পুরস্কার জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলছেন তিনি। তবে এমবাপে, ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে, স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনহাও রয়েছেন আলোচনায়।

৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপে চমক দেখানোর মতো সম্ভাব্য খেলোয়াড়ের সংখ্যাও অনেক। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দলেই ছড়িয়ে রয়েছে অসাধারণ প্রতিভা। তাই শেষ পর্যন্ত নতুন কোনো তারকাও গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে উঠে আসতে পারেন।

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোজুড়ে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে গোল ডটকম তাদের ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। সেখানে টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পুরস্কার জয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদারদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গোল্ডেন বল পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং (শীর্ষ ১০)

১০. কোডি গাকপো (নেদারল্যান্ডস)
লিভারপুলে মৌসুমটা খুব ভালো না কাটলেও বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে আছেন গাকপো। জাপানের বিপক্ষে গোল না পেলেও সুইডেনের বিপক্ষে ৫-১ জয়ে একটি অ্যাসিস্ট ও দুটি গোল করে ম্যাচের নায়ক বনে যান তিনি।

৯. মিকেল ওইয়ারজাবাল (স্পেন)
কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল না পেলেও একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন ওইয়ারজাবাল। পরে সৌদি আরবের বিপক্ষে এক অ্যাসিস্ট ও দুটি গোল করে স্পেনের জয়ে বড় অবদান রাখেন।

৮. আলেক্সান্ডার ইসাক (সুইডেন)
তিউনিসিয়ার বিপক্ষে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে ৫-১ ব্যবধানে জয়ে নেতৃত্ব দেন ইসাক। যদিও পরের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে একই ব্যবধানে হারে সুইডেন, তবু দলের একমাত্র গোলটি আসে তার নিখুঁত পাস থেকে।

৭. হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড)
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ শুরু করেন কেইন। তবে ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ মুহূর্তে সহজ সুযোগ নষ্ট করায় সমালোচনার মুখেও পড়েছেন।

৬. ডেনিজ উনদাভ (জার্মানি)
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে বদলি নেমে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করেছিলেন। এরপর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সমতাসূচক গোল ও যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে জার্মানিকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন করেন।

৫. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল)
একদিকে নেইমার পুরোপুরি ফিট নন, অন্যদিকে রাফিনহা ছিটকে গেছেন চোটে। তাই ব্রাজিলের আক্রমণের মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করার পাশাপাশি তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

৪. আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে)
বিশ্বকাপে অভিষেকেই দারুণ ছাপ রেখেছেন হালান্ড। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর সেনেগালের বিপক্ষেও দুটি গোল করে নরওয়েকে ৩-২ ব্যবধানে জয় এনে দেন।

৩. মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)
এমবাপে গোল করলেও ফ্রান্সের আক্রমণ সাজানোর মূল কারিগর ওলিসে। সেনেগালের বিপক্ষে এমবাপের প্রথম গোলের অ্যাসিস্ট করার পর ম্যাচসেরাও হন তিনি। ইরাকের বিপক্ষেও এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের গোলে সহায়তা করেন।

২. কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স)
বিশ্বকাপে আসার আগেই ১৪ ম্যাচে ১২ গোল করে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন এমবাপে। এবার সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সেই রেকর্ড ভেঙেছেন। পরে ইরাকের বিপক্ষেও আরও দুটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়েছেন। বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মেসির সঙ্গে তুমুল টক্কর দিচ্ছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

১. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
ক্যারিয়ারে জেতার মতো প্রায় সবকিছুই জয় করেছেন মেসি। তবু ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপে তিনিই সবচেয়ে আলোচিত তারকা। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছেন আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক দিয়ে। এরপর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নিয়েছেন। আর্জেন্টিনার এখন পর্যন্ত করা পাঁচটি গোলই এসেছে তার পা থেকে। সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই তাকে গোল্ডেন বল জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে রেখেছে।

আরএএইচইউএল/এসকেডি/এএসএম

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ফল রপ্তানিতে চাঙা হচ্ছে আফগানিস্তানের অর্থনীতি, ডালিম-আঙুরে বাজিমাত

বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলের দৌড়ে কে কতটা এগিয়ে?

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষের পথে। দলগুলোর মূল লক্ষ্য শিরোপা জয় হলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিগুলোর একটি গোল্ডেন বল নিয়েও চলছে তুমুল লড়াই। টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনায় গোল্ডেন বল জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও মাইকেল ওলিসে।

গোল্ডেন বল শুধু সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নয়। গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ভোটে নির্ধারিত এই সম্মাননা দেওয়া হয় পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে একজন ফুটবলারের সামগ্রিক প্রভাব, নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।

ইতিহাসে বেশিরভাগ সময় এই পুরস্কার জিতেছেন ফরোয়ার্ডরা। তবে মিডফিল্ডার এমনকি একজন গোলরক্ষকও গোল্ডেন বল জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। পাওলো রোসি, দিয়েগো ম্যারাডোনা, সালভাতোরে স্কিলাচ্চি, রোমারিও, রোনালদো, অলিভার কান, জিনেদিন জিদান ও দিয়েগো ফোরলান এই পুরস্কারের সাবেক বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন। এখনও খেলছেন এমন ফুটবলারদের মধ্যে কেবল লিওনেল মেসি ও লুকা মদ্রিচ এই তালিকায় আছেন।

২০১৪ ও ২০২২ সালে গোল্ডেন বল জিতে ইতিহাসের একমাত্র দুইবারের বিজয়ী হয়েছেন মেসি। এবার টানা দ্বিতীয়বার এবং মোট তৃতীয়বার এই পুরস্কার জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলছেন তিনি। তবে এমবাপে, ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে, স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনহাও রয়েছেন আলোচনায়।

৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপে চমক দেখানোর মতো সম্ভাব্য খেলোয়াড়ের সংখ্যাও অনেক। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দলেই ছড়িয়ে রয়েছে অসাধারণ প্রতিভা। তাই শেষ পর্যন্ত নতুন কোনো তারকাও গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে উঠে আসতে পারেন।

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোজুড়ে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে গোল ডটকম তাদের ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। সেখানে টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পুরস্কার জয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদারদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।

গোল্ডেন বল পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং (শীর্ষ ১০)

১০. কোডি গাকপো (নেদারল্যান্ডস)
লিভারপুলে মৌসুমটা খুব ভালো না কাটলেও বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে আছেন গাকপো। জাপানের বিপক্ষে গোল না পেলেও সুইডেনের বিপক্ষে ৫-১ জয়ে একটি অ্যাসিস্ট ও দুটি গোল করে ম্যাচের নায়ক বনে যান তিনি।

৯. মিকেল ওইয়ারজাবাল (স্পেন)
কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল না পেলেও একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন ওইয়ারজাবাল। পরে সৌদি আরবের বিপক্ষে এক অ্যাসিস্ট ও দুটি গোল করে স্পেনের জয়ে বড় অবদান রাখেন।

৮. আলেক্সান্ডার ইসাক (সুইডেন)
তিউনিসিয়ার বিপক্ষে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে ৫-১ ব্যবধানে জয়ে নেতৃত্ব দেন ইসাক। যদিও পরের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে একই ব্যবধানে হারে সুইডেন, তবু দলের একমাত্র গোলটি আসে তার নিখুঁত পাস থেকে।

৭. হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড)
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ শুরু করেন কেইন। তবে ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ মুহূর্তে সহজ সুযোগ নষ্ট করায় সমালোচনার মুখেও পড়েছেন।

৬. ডেনিজ উনদাভ (জার্মানি)
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে বদলি নেমে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করেছিলেন। এরপর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সমতাসূচক গোল ও যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে জার্মানিকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন করেন।

৫. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল)
একদিকে নেইমার পুরোপুরি ফিট নন, অন্যদিকে রাফিনহা ছিটকে গেছেন চোটে। তাই ব্রাজিলের আক্রমণের মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করার পাশাপাশি তিন ম্যাচেই ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

৪. আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে)
বিশ্বকাপে অভিষেকেই দারুণ ছাপ রেখেছেন হালান্ড। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর সেনেগালের বিপক্ষেও দুটি গোল করে নরওয়েকে ৩-২ ব্যবধানে জয় এনে দেন।

৩. মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)
এমবাপে গোল করলেও ফ্রান্সের আক্রমণ সাজানোর মূল কারিগর ওলিসে। সেনেগালের বিপক্ষে এমবাপের প্রথম গোলের অ্যাসিস্ট করার পর ম্যাচসেরাও হন তিনি। ইরাকের বিপক্ষেও এমবাপে ও উসমান দেম্বেলের গোলে সহায়তা করেন।

২. কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স)
বিশ্বকাপে আসার আগেই ১৪ ম্যাচে ১২ গোল করে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন এমবাপে। এবার সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সেই রেকর্ড ভেঙেছেন। পরে ইরাকের বিপক্ষেও আরও দুটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়েছেন। বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মেসির সঙ্গে তুমুল টক্কর দিচ্ছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

১. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
ক্যারিয়ারে জেতার মতো প্রায় সবকিছুই জয় করেছেন মেসি। তবু ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপে তিনিই সবচেয়ে আলোচিত তারকা। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছেন আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক দিয়ে। এরপর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নিয়েছেন। আর্জেন্টিনার এখন পর্যন্ত করা পাঁচটি গোলই এসেছে তার পা থেকে। সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই তাকে গোল্ডেন বল জয়ের দৌড়ে সবার ওপরে রেখেছে।

আরএএইচইউএল/এসকেডি/এএসএম