বিশ্বকাপে দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে নকআউট রাউন্ড নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা৷ দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিজের করে নেন মেসি। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তাদের জয়টি নিয়ে বেশ খুশি এবং মেসির ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তাঁকে নিয়ে আর কী বলব, আমি জানি না।’ এই কোচ আরো বলেন, ‘এটা আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের মতোই ছিল। ম্যাচটি ছিল এমন এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যাদের লম্বা খেলোয়াড়রা পরিস্থিতি কঠিন করে তোলে এবং তারা ভালো শারীরিক অবস্থার অধিকারী। কিছু বিষয় শুধরে নেওয়ার আছে, কিন্তু জয় সবকিছু সহজ করে দেয়।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি নিশ্চিত প্রতিপক্ষ যখন আমাদের জন্য জিনিসগুলি কঠিন করার চেষ্টা করেছিল, তখন আমি নিশ্চিত নই যে সেই চাপগুলোই গোলের শটগুলিতে রূপান্তরিত হয়েছিল কিনা।’
অন্যদিকে, তিনি অস্ট্রিয়ানদের আধিপত্যের সময়গুলোর কথা উল্লেখ করে মন্তব্য করেন, ‘যখন আমাদের কষ্ট করতে হয়, তখন দল কষ্ট করে। আজ, মাঝে মাঝে, তারা আমাদের কঠিন পরিস্থিতিতে না ফেললেও আমরা ভুগেছি।’
তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, দলটি কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং নিজেদের উপভোগ করে তা দেখে মানুষ উদ্বেলিত। নকআউটে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করায় নিজের আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা খুশি। মনে হচ্ছিল এটা সহজ হবে কিন্তু তা ছিল না। আপনারা দুটি ম্যাচই দেখেছেন।’
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্কালোনেতার দল আবারও শিরোপার দাবিদার। যদিও কোচ এখনই বেশি কিছু ভেবে বসে থাকতে চান না। তিনি বলেন, ‘অনেক দলই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে এবং তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। কিছু বড় দল জিতবে। আমরাও লড়াইয়ে থাকব, কিন্তু এটা সবার জন্যই কঠিন হবে।’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ে লিওনেল মেসি দুটি গোল করেন এবং লিওনেল স্কালোনি তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘লিও যখন ছন্দে থাকে, তখন সবাই ছন্দে ফেরে, আর এটা দলের জন্য একটা বড় কৃতিত্ব। দল যখন কঠিন সময়ের মধ্যে ছিল, তখনও সে কঠোর পরিশ্রম করেছে, গোলের জন্য বল কেড়ে নিয়েছে, সে ছিল নিবেদিত প্রাণ। সে এমনই কিছু করে দেখায়, যা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমি আর কী বলব জানি না, আর এটাও যথেষ্ট হবে কি না, তাও জানি না।’
আরআর/এসকেডি/এএসএম
এডমিন 











