০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্য থেকে ফেরত পাঠানো হলো ১৫ বাংলাদেশিকে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:২২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • 40

অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে ১৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইট (HFM851) ইসলামাবাদ হয়ে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতির আওতায় কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসব বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনসুলার শাখা জানিয়েছে, দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন, আবার কারো পাসপোর্ট ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। এদের মধ্যে এক বা একাধিক নারীও রয়েছেন। ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেছিল হাইকমিশন।

তালিকা পর্যালোচনায় জানা গেছে, ফেরত আসাদের অধিকাংশের বাড়ি সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং ঢাকার বিভিন্ন জেলায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন যুক্তরাজ্যে ওয়েটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন, আবার কেউ কেউ সেখানে শিক্ষার্থী হিসেবে ছিলেন। তবে অন্তত ছয়জনের পেশাগত পরিচয় ট্রাভেল পারমিটে উল্লেখ ছিল না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, অনেক বাংলাদেশি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন, যা দেশটির অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন। এ কারণে যুক্তরাজ্য সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং ফেরত পাঠানো সেই উদ্যোগেরই অংশ।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে নিজ বাড়ির রাস্তা করলেন ইউপি সদস্য

যুক্তরাজ্য থেকে ফেরত পাঠানো হলো ১৫ বাংলাদেশিকে

আপডেট সময়ঃ ১১:২২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে ১৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইট (HFM851) ইসলামাবাদ হয়ে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতির আওতায় কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসব বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনসুলার শাখা জানিয়েছে, দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন, আবার কারো পাসপোর্ট ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। এদের মধ্যে এক বা একাধিক নারীও রয়েছেন। ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেছিল হাইকমিশন।

তালিকা পর্যালোচনায় জানা গেছে, ফেরত আসাদের অধিকাংশের বাড়ি সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং ঢাকার বিভিন্ন জেলায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন যুক্তরাজ্যে ওয়েটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন, আবার কেউ কেউ সেখানে শিক্ষার্থী হিসেবে ছিলেন। তবে অন্তত ছয়জনের পেশাগত পরিচয় ট্রাভেল পারমিটে উল্লেখ ছিল না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, অনেক বাংলাদেশি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন, যা দেশটির অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন। এ কারণে যুক্তরাজ্য সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং ফেরত পাঠানো সেই উদ্যোগেরই অংশ।