১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাটোরে সাঁকো ভেঙে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-জনতা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • 17

নাটোরের সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা গ্রামের পানাউল্লা খাল। এই খালের দু পারে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের বসবাস। বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে সোনাইডাঙ্গা গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আসতে হয় গোপেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রতি বছর বর্ষাকালে খাল পারাপারের একমাত্র বাঁশের সাঁকো এটি।

স্থানীয়রা জানান, নৌকায় যাতাযাত করা সবার জন্য কঠিন। কারন মাঝি মাল্লা ২৪ ঘন্টা ডিউটি পালন সম্ভব নয়। এজন্য গ্রামবাসির অর্থায়নে ২০১০ সালে সোনাইডাঙ্গা খালের উপর বাঁশের সাঁকো নির্মান করেন বাসিন্দারা তারপর থেকে প্রতি বছর মেরামতের মাধ্যমে যাতায়াত করে আসছে।

সোনাইডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা নীল রতন বলেন, হাজারো মানুষের চলাচলের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় দুর্ভোগের শেষ নাই। কয়েকদফা এই খালের উপর ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে মাপজোখ হলেও ব্রীজ নির্মানের পথ অধরাই রয়ে গেছে।

গোপেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমআর হোসনে আরা জানান, কয়েকদিন আগে বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। দ্রুত সাঁকো নির্মানে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের বলেন, বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় শিক্ষার্থী সহ জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। নৌকায় তো সবাই যাতায়াত করতে পারে না। তিনি আরো বলেন, এখানে ব্রীজ নির্মানের জন্য আমি চেষ্টা করেছি। কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি। মাপজোখ হলেও কাজ শুরু হয়নি।

সিংড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুমার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি, ঐখানে একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ মাপজোখ সহ সয়েল টেষ্ট করেছে। ব্রীজ নির্মান করা হলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ থাকবে না।

কুশল/সাএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

নাটোরে সাঁকো ভেঙে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-জনতা

আপডেট সময়ঃ ১১:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

নাটোরের সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা গ্রামের পানাউল্লা খাল। এই খালের দু পারে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের বসবাস। বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে সোনাইডাঙ্গা গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আসতে হয় গোপেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রতি বছর বর্ষাকালে খাল পারাপারের একমাত্র বাঁশের সাঁকো এটি।

স্থানীয়রা জানান, নৌকায় যাতাযাত করা সবার জন্য কঠিন। কারন মাঝি মাল্লা ২৪ ঘন্টা ডিউটি পালন সম্ভব নয়। এজন্য গ্রামবাসির অর্থায়নে ২০১০ সালে সোনাইডাঙ্গা খালের উপর বাঁশের সাঁকো নির্মান করেন বাসিন্দারা তারপর থেকে প্রতি বছর মেরামতের মাধ্যমে যাতায়াত করে আসছে।

সোনাইডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা নীল রতন বলেন, হাজারো মানুষের চলাচলের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় দুর্ভোগের শেষ নাই। কয়েকদফা এই খালের উপর ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে মাপজোখ হলেও ব্রীজ নির্মানের পথ অধরাই রয়ে গেছে।

গোপেন্দ্রনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমআর হোসনে আরা জানান, কয়েকদিন আগে বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। দ্রুত সাঁকো নির্মানে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের বলেন, বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ায় শিক্ষার্থী সহ জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। নৌকায় তো সবাই যাতায়াত করতে পারে না। তিনি আরো বলেন, এখানে ব্রীজ নির্মানের জন্য আমি চেষ্টা করেছি। কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছি। মাপজোখ হলেও কাজ শুরু হয়নি।

সিংড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুমার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি, ঐখানে একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ মাপজোখ সহ সয়েল টেষ্ট করেছে। ব্রীজ নির্মান করা হলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ থাকবে না।

কুশল/সাএ