০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নাফাখুম ঝর্ণায় গিয়ে পর্যটক নিখোঁজ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 33

বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুমে ঘুরতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন মো. ইকবাল হোসেন (২৫)। তিনি ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়ায় রসুলনগর গোপ দক্ষিণ গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকার ডেমরা থেকে ১৭ জনের একটি পর্যটক দল প্রশাসন ঘোষিত ভ্রমণ নিষিদ্ধ এলাকায় কোনো প্রকার নিবন্ধন ও স্হানীয় গাইড ছাড়া নাফাখুম ঝর্ণা এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে গিয়ে পা পিছলে পড়ে নিখোঁজ হন ইকবাল।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ৫ জন পর্যটক থানচি থানা ও প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করে। খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার ডিফেন্স কর্মকর্তাদের সমন্বয়ের উদ্ধারে থানচি হতে নাফাখুম রওনা দিয়েছে। 

থানচি ফায়ার ডিফেন্সের কর্মকর্তা রাশেদুর রহমান মৃদা বলেন, নাফাখুমের রেমাক্রী খালের পানির প্রবাহ বেশি। তাই চট্টগ্রাম হতে দুইজন ডুবুরি পৌঁছলে আমরা দুইটি ইউনিট রওনা দেব।

থানচি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারে জন্য পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার ডিফেন্স ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উদ্ধার টিম কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, আগত ১৭ জনের পর্যটকের টিম থানচি নাফাখুমে অবস্থানের কোনো তথ্য আমাদের কার্যালয়ে এন্ট্রি হয়নি। এর কারণ উনারা আলীকদম হয়ে নাফাখুমে গিয়েছেন। শুক্রবার আলীকদম থানচি সড়ক হতে তিন্দু গ্রোপিং পাড়া থেকে ১৭ জনের একটি দল প্রশাসনের তথ্য কেন্দ্রে রেজিস্ট্রারি না করে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা আছে এমন স্থানে গিয়েছেন এবং সেখানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখন নিখোঁজ পর্যটকের কোন খোঁজ মেলেনি। আমরা চেষ্টা করছি তাকে উদ্ধার করতে।

মুনতাসির/সাএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ডিএমপির গুলশান ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রদবদল

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নাফাখুম ঝর্ণায় গিয়ে পর্যটক নিখোঁজ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুমে ঘুরতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন মো. ইকবাল হোসেন (২৫)। তিনি ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়ায় রসুলনগর গোপ দক্ষিণ গ্রামের বাসিন্দা।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকার ডেমরা থেকে ১৭ জনের একটি পর্যটক দল প্রশাসন ঘোষিত ভ্রমণ নিষিদ্ধ এলাকায় কোনো প্রকার নিবন্ধন ও স্হানীয় গাইড ছাড়া নাফাখুম ঝর্ণা এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে গিয়ে পা পিছলে পড়ে নিখোঁজ হন ইকবাল।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ৫ জন পর্যটক থানচি থানা ও প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করে। খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার ডিফেন্স কর্মকর্তাদের সমন্বয়ের উদ্ধারে থানচি হতে নাফাখুম রওনা দিয়েছে। 

থানচি ফায়ার ডিফেন্সের কর্মকর্তা রাশেদুর রহমান মৃদা বলেন, নাফাখুমের রেমাক্রী খালের পানির প্রবাহ বেশি। তাই চট্টগ্রাম হতে দুইজন ডুবুরি পৌঁছলে আমরা দুইটি ইউনিট রওনা দেব।

থানচি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারে জন্য পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার ডিফেন্স ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উদ্ধার টিম কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, আগত ১৭ জনের পর্যটকের টিম থানচি নাফাখুমে অবস্থানের কোনো তথ্য আমাদের কার্যালয়ে এন্ট্রি হয়নি। এর কারণ উনারা আলীকদম হয়ে নাফাখুমে গিয়েছেন। শুক্রবার আলীকদম থানচি সড়ক হতে তিন্দু গ্রোপিং পাড়া থেকে ১৭ জনের একটি দল প্রশাসনের তথ্য কেন্দ্রে রেজিস্ট্রারি না করে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা আছে এমন স্থানে গিয়েছেন এবং সেখানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখন নিখোঁজ পর্যটকের কোন খোঁজ মেলেনি। আমরা চেষ্টা করছি তাকে উদ্ধার করতে।

মুনতাসির/সাএ