০৯:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসছে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:২০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারের প্রকাশিত ছুটির গেজেট অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০ বা ২১ মার্চ ঈদ পালিত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে। এর পরপরই ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাঝখানের ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব।

মার্চ মাসের ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি থাকবে, যা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ কর্মদিবস। ১৯ থেকে ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি। ২৪ ও ২৫ মার্চ সাধারণ কর্মদিবস হলেও ব্যক্তিগত ছুটি নিলে তা ঈদের ছুটির সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি এবং ২৭-২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

এভাবে ২৪ ও ২৫ মার্চ নৈমিত্তিক ছুটি গ্রহণ করলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানো সম্ভব হবে।

সরকারি খাতের তুলনায় বেসরকারি খাতে, বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে সাধারণত তিন থেকে চার দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ওভারটাইম ও কাজের সমন্বয়ের মাধ্যমে ছুটি বাড়ানোর সুযোগ থাকে।

সরকারি ছুটির গেজেট অনুযায়ী, দুই ঈদ মিলিয়ে মোট ১১ দিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার (২০২৬ সালের ছুটির গেজেট)।

সাজু/নিএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

আসছে টানা ১০ দিনের ছুটির সুযোগ

আপডেট সময়ঃ ১১:২০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারের প্রকাশিত ছুটির গেজেট অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০ বা ২১ মার্চ ঈদ পালিত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে। এর পরপরই ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাঝখানের ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব।

মার্চ মাসের ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি থাকবে, যা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ কর্মদিবস। ১৯ থেকে ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি। ২৪ ও ২৫ মার্চ সাধারণ কর্মদিবস হলেও ব্যক্তিগত ছুটি নিলে তা ঈদের ছুটির সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি এবং ২৭-২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

এভাবে ২৪ ও ২৫ মার্চ নৈমিত্তিক ছুটি গ্রহণ করলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানো সম্ভব হবে।

সরকারি খাতের তুলনায় বেসরকারি খাতে, বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে সাধারণত তিন থেকে চার দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ওভারটাইম ও কাজের সমন্বয়ের মাধ্যমে ছুটি বাড়ানোর সুযোগ থাকে।

সরকারি ছুটির গেজেট অনুযায়ী, দুই ঈদ মিলিয়ে মোট ১১ দিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার (২০২৬ সালের ছুটির গেজেট)।

সাজু/নিএ