ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ডাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিসহ সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৩ এপ্রিল বিকেলে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ডাকসু প্যানেলে সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডির সঙ্গে সম্পাদিত আপত্তিকর ছবি যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো হয়। এতে তাকে নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয় এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তিনি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান।
নেতারা দাবি করেন, বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওই পোস্টের স্ক্রিনশট এডিটেড বলে প্রমাণিত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জিডি করতে গেলে শাহবাগ থানার ভেতরেই আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীদের ছাত্রদলের স্লোগান দিতে থাকা নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে হামলার চেষ্টা চালায়। পরে তাদের উদ্ধার করতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি আজিজুল হক, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের ভিপি সাদিক শিকদার, এজিএস আবদুল মজিদ, অমর একুশে হল সংসদের এজিএস উবায়দুর রহমান হাসিবসহ বিভিন্ন হল সংসদের প্রতিনিধিরা সেখানে যান।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানজুর হোছাইন মাহি, সেক্রেটারি লিটন আহমেদসহ ক্যাম্পাসের সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, শাহবাগ থানার ভেতরেই ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বহিরাগত নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে ডাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধি, সাংবাদিক সমিতির নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।
শিবির নেতারা বলেন, এই হামলার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে দখলদারিত্বের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি হামলাকারীদের দ্রুত বহিষ্কার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানায়।
এফএআর/এনএইচআর
এডমিন 









