এএফপির
সঙ্গে
ফোনে
কথা
বলার
সময়
আইজ্যাক
নিয়াকুলিন্দা
নামের
স্থানীয়
নাগরিক
সমাজের
একজন
প্রতিনিধি
বলেন,
‘গত
দুই
সপ্তাহ
ধরে
আমরা
মানুষকে
মরতে
দেখছি।’
‘অসুস্থ
ব্যক্তিদের
আলাদা
করে
রাখার
কোনো
জায়গা
নেই।
মানুষ
বাড়িতেই
মারা
যাচ্ছে
এবং
পরিবারের
সদস্যরাই
তাদের
মৃতদেহ
সৎকার
করছেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কাম্বা
জানান,
এই
প্রাদুর্ভাবের
প্রথম
রোগী
ছিলেন
একজন
নার্স।
গত
২৪
এপ্রিল
তিনি
ইবোলার
উপসর্গ
নিয়ে
প্রাদেশিক
রাজধানী
বুনিয়ার
একটি
হাসপাতালে
গিয়েছিলেন।
এই
রোগের
লক্ষণগুলোর
মধ্যে
রয়েছে
জ্বর,
রক্তক্ষরণ
এবং
বমি
হওয়া।
এমএসএফ
জানিয়েছে,
তারা
এই
প্রাদুর্ভাব
মোকাবিলায়
চিকিৎসক,
প্রয়োজনীয়
সরঞ্জাম
এবং
কর্মী
পাঠাচ্ছে।
এমএসএফ-এর
জরুরি
কর্মসূচির
ব্যবস্থাপক
ট্রিশ
নিউপোর্ট
বলেন,
‘এত
অল্প
সময়ে
আমরা
যত
আক্রান্ত
এবং
মৃত্যুর
ঘটনা
দেখছি,
তা
অত্যন্ত
উদ্বেগের।
এর
সঙ্গে
ভাইরাসটি
বিভিন্ন
স্বাস্থ্য
অঞ্চলে
এবং
এখন
সীমান্তের
ওপারেও
ছড়িয়ে
পড়েছে।
এডমিন 














