সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছেন ‘ভাইরাল সিদ্দিক’। ভিডিওতে দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার একটি দৃশ্য দেখে অনেকেই চুরির অভিযোগ তুললেও পরে জানা যায়, ওই দানবাক্সগুলো মূলত সিদ্দিকের নিজের প্রতিষ্ঠান ‘নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর।
এ বিষয়ে নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা খান মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক ওরফে ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ বলেন, ‘আমি এই সংগঠনটি ২০০৮ সালে গঠন করি এবং নিবন্ধন করি। ঢাকা শহরে আমাদের ১৫-১৬টি দানবাক্স রয়েছে। এসব দানবাক্সের অর্থ সংগ্রহ ও পরিচালনার দায়িত্বও আমাদের প্রতিষ্ঠানের। এই অর্থ আমরা নওমুসলিমদের সহায়তায় ব্যয় করি’।
তিনি জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি গত ১৯ এপ্রিল ধারণ করা হয়েছিল। তিনি দানবাক্স খুলে সেখান থেকে টাকা বের করছিলেন, এমন সময় মোহাম্মদপুরের একটি কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য তাকে টাকা চুরি করছেন বলে ভিডিও ধারণ করে। পরে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আটকে রেখে মারধর করা হয়। তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে অপারগতা জানালে নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়ানো হয়।
পরবর্তীতে তিনি তার তিনজন নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা এনে তাদের দেন। এরপর তিনি তাদের কাছ থেকে রক্ষা পান। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলাও করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। এখন সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুরির ঘটনা হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
আবুবকর সিদ্দিকের দাবি, এটি কোনো চুরির ঘটনা নয়। নিয়মিত হিসাব-নিকাশ ও অর্থ সংগ্রহের অংশ হিসেবেই দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন ভাইরাল সিদ্দিক। অতীতেও তিনি একাধিকবার হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
এডমিন 















