সকালে
একটি
বর্ণাঢ্য
শোভাযাত্রার
মাধ্যমে
ছোট
একটি
ট্রাকে
বলের
আদলে
মোড়ানো
পতাকাটি
মাঠে
আনা
হয়।
পরে
সমর্থকদের
উপস্থিতিতে
পতাকাটি
উন্মোচন
করা
হলে
পুরো
এলাকায়
উৎসবমুখর
পরিবেশের
সৃষ্টি
হয়।
আমজাদের
এই
আয়োজন
দেখতে
ঢাকা
থেকেও
অনেক
ফুটবলপ্রেমী
মাগুরায়
ছুটে
এসেছেন।
মাঠে
উপস্থিত
এক
দর্শনার্থী
জানান,
২০০৬
সাল
থেকেই
তিনি
এই
পতাকা
প্রদর্শনী
দেখতে
আসছেন।
তাঁর
ভাষায়,
পুরো
এলাকায়
যে
ফুটবল
উন্মাদনা
ছড়িয়ে
পড়েছে,
তা
সত্যিই
অভূতপূর্ব।
পেশায়
কৃষক
আমজাদ
হোসেনের
বাড়ি
মাগুরা
পৌরসভার
ঘোড়ামারা
এলাকায়।
জার্মানির
প্রতি
তাঁর
এই
গভীর
ভালোবাসার
পেছনে
রয়েছে
এক
বিশেষ
স্মৃতি।
২০০৪–০৫
সালের
দিকে
তিনি
জটিল
শারীরিক
সমস্যায়
আক্রান্ত
হন।
পরে
চিকিৎসকের
পরামর্শে
জার্মানি
থেকে
আমদানি
করা
একটি
ওষুধ
সেবন
করে
সুস্থ
হয়ে
ওঠেন।
কৃতজ্ঞতা
থেকেই
২০০৬
সালের
বিশ্বকাপে
জার্মানিকে
ভালোবাসার
প্রতীক
হিসেবে
একটি
পতাকা
তৈরির
সিদ্ধান্ত
নেন
তিনি।
এডমিন 















