মিনহাজুল
ইসলাম
নামে
স্থানীয়
একজন
বাসিন্দা
বলেন,
প্রধানমন্ত্রীর
আগমনে
কাঁচা
সড়কে
ইট
বসায়
এলাকাবাসী
খুশি
হয়েছিলেন।
দীর্ঘদিনের
দুর্ভোগ
লাঘব
হয়েছিল।
এখন
সড়কের
ইট
তুলে
নেওয়ায়
এ
রাস্তা
দিয়ে
চলাচল
দায়
হয়ে
পড়েছে।
চলাচলে
চরম
দুর্ভোগ
পোহাতে
হচ্ছে।
এ
বিষয়ে
মাদলা
ইউনিয়ন
বিএনপির
সাবেক
সভাপতি
আতিকুর
রহমান
বলেন,
প্রধানমন্ত্রীর
সফরকে
কেন্দ্র
করে
এলজিইডি
থেকে
ওই
কাঁচা
সড়কে
অস্থায়ীভাবে
ইট
সোলিং
করার
দায়িত্ব
দেওয়া
হয়েছিল।
সেই
অনুযায়ী,
ভাটা
থেকে
ইট
নিয়ে
গিয়ে
শ্রমিক
দিয়ে
সড়কে
ইট
বিছিয়ে
দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সফর
শেষে
সড়কের
ইট
তুলে
ভাটায়
নিয়ে
এসেছেন।
এলজিইডি
থেকে
শুধু
পরিবহন
ও
শ্রমিক
খরচ
দেওয়া
হয়েছে।
তবে
সেই
কাজের
জন্য
ঠিক
কত
টাকা
দেওয়া
হয়েছিল,
সেটা
এই
মুহূর্তে
মনে
নেই।
গাবতলী
উপজেলা
প্রকৌশলী
মো.
সাজেদুর
রহমান
বলেন,
৫০০
মিটার
কাঁচা
রাস্তা
৮৪
লাখ
টাকায়
পাকাকরণের
জন্য
ইতিমধ্যে
ঠিকাদারকে
কার্যাদেশ
দেওয়া
হয়েছে।
আগামী
অক্টোবরের
মধ্যে
কাজ
শেষ
করার
কথা
রয়েছে।
বর্তমানে
সড়কের
পাশে
প্যালাসাইডিংয়ের
কাজ
চলছে।
সড়কের
সীমানা
নিয়ে
জটিলতার
কারণে
সাইট
বুঝে
দিতে
বিলম্ব
হয়েছে।
এর
মধ্যে
প্রধানমন্ত্রীর
সফরকে
কেন্দ্র
করে
ওই
কাঁচা
সড়কটি
ইট
বিছানোর
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়।
আরও
১৫০
মিটার
রাস্তা
ও
আনুষঙ্গিক
কাজসহ
খরচ
হয়েছে
প্রায়
১০
লাখ
টাকা।
এর
মধ্যে
১৫০
মিটার
রাস্তা
নির্মাণসহ
আনুষঙ্গিক
কাজের
জন্য
গাবতলী
উপজেলা
পরিষদ
থেকে
৬
লাখ
টাকা
বরাদ্দ
দেওয়া
হয়েছে।
বাকি
টাকা
এখনো
ঠিকাদারকে
দেওয়া
হয়নি।
সুশাসনের
জন্য
প্রশাসন
(সুপ্র)
বগুড়ার
সম্পাদক
কে
জী
এম
ফারুক
বলেন,
একটি
কাঁচা
সড়ক
পাকাকরণের
জন্য
দরপত্রপ্রক্রিয়া
সম্পন্ন
হওয়ার
পর
সেখানে
নতুন
করে
আর
কোনো
রাষ্ট্রীয়
অর্থ
ব্যয়
করার
সুযোগ
নেই।
শুধু
রাষ্ট্রীয়
কোনো
অতিথির
সফরকে
কেন্দ্র
করে
এ
ধরনের
ব্যয়
রাষ্ট্রের
অর্থ
অপচয়।
তা
ছাড়া
প্রধানমন্ত্রীর
আগমনকে
কেন্দ্র
করে
তড়িঘড়ি
করে
কাঁচা
সড়কে
ইট
বিছিয়ে
প্রধানমন্ত্রী
চলে
যাওয়ার
পর
সড়ক
থেকে
ইট
তুলে
নেওয়ায়
চরম
ছলচাতুরীর
আশ্রয়
নেওয়া
হয়েছে।
এ
কাজে
সরকারি
যে
পরিমাণ
অর্থ
ব্যয়
দেখানো
হোক,
সেটার
স্বচ্ছতা
নিয়ে
প্রশ্ন
দেখা
দেবে।
এডমিন 















