অবশেষে বেক থ্রু
স্লিপে কোনো ফিল্ডার ছিলেন না, শরীফুলের বলটা ওদিকে দিয়ে খোঁচা মেরেছিলেন মার্নাস লাবুশেন। কিন্তু ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচ নিয়েছেন নুরুল। কনোলি ও লাবুশেনের ভয় ধরানো জুটিও ভেঙে গেছে তাতে। দুজনের জুটিতে ৭৭ বলে ৬৪ রান এসেছিল। বেক থ্রু পেয়ে আবার ম্যাচে ফিরল বাংলাদেশ।
অবিশ্বাস্য ক্যাচ সৌম্যর
বলটা ধরার পরই সৌম্য সরকারের দিকে ছুটে গেলেন সতীর্থরা। নাজমুল হোসেন জড়িয়ে ধরলেন সবার আগে। এরপর এলেন বাকিরাও। তাঁকে অভিবাদন জানানোটা যে জরুরি হয়ে পড়েছিল ভীষণ!
সামনের পায়ে এসে কাভারের ওপর দিয়ে জোরে চালিয়েছিলেন ক্যারি। শূন্য ভেসে ঝাঁপিয়ে পড়ে অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ নেন সৌম্য। শুরুতে দু হাতে ধরতে গেলেও পরে শুধু বাঁ হাতেই ক্যাচটা ধরেছেন সৌম্য।
বেক থ্রুটাও পেয়েছে বাংলাদেশ। শরীফুলের এক ওভারে ২ উইকেট পাওয়ার পর এবার উইকেট এল তাসকিনের বলে। অস্ট্রেলিয়া এখন ১২ ওভারে ৭৩ রান করেছে, ৩ উইকেট নেই তাদের।

পাওয়ার প্লে শেষ
পাওয়ার প্লের ১০ ওভার শেষ হয়ে গেছে। মাঝে শরীফুলের এক ওভারে ওই দুটি উইকেটেই বাংলাদেশের যা একটু স্বস্তি। ৬৩ রান তুলে অস্ট্রেলিয়াই কিছুটা সুবিধাজনক জায়গায় আছে। তাদের সামনে আছে ২৭৫ রানের লক্ষ্য।

শরীফুলের উইকেট
২ ওভার করে করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। কিন্তু তারা আজ আর উইকেট এনে দিতে পারেননি। কিন্তু বাংলাদেশের পেস বোলিং বিভাগ তো এমনই— কেউ না কেউ ত্রাতা হন ঠিকই।
বোলিংয়ে এসে নিজের প্রথম ওভারেই ২ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ইংলিস ১২ বলে ২১ রান করে ক্যাচ দেন মোসাদ্দেকের হাতে। এক বল পরই ম্যাট রেনশ বোল্ড হয়েছেন শরীফুলের বলে।
অস্ট্রেলিয়া: ৫ ওভারে ৪১/২
অস্ট্রেলিয়ার ঝোড়ো শুরু
আগের দুই ম্যাচেই প্রথম ওভারে উইকেট পেয়েছিল বাংলাদেশ। আজ উইকেট তো আসেইনি, ঝোড়ো শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৩ ওভারেই তারা তুলে ফেলেছে ৩০ রান। কনোলি ও ইংলিসের উদ্বোধনী জুটি ভয় ধরাচ্ছে বাংলাদেশকে।
আরেকটি তথ্য— উইকেটের পেছনে কিন্তু লিটন নেই। নুরুল হাসান আজ উইকেটকিপিং করবেন। পেশির টান পেয়ে উঠে যাওয়ার পর আবার ব্যাটিংয়ে নামলেও উইকেটের পেছনে দাঁড়াচ্ছে না লিটন।
বাংলাদেশ থামল ২৭৪ রান করে
ইনিংস শেষ হলো। প্রথম ওভারে সৌম্য আর ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বিপদেই পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে হৃদয়–লিটন আর মোসাদ্দেকের ব্যাটে ঘুঁরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তারা তিনজনই ফিফটি পেয়েছেন। পুরো ৫০ ওভার খেলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
মেহেদী আউট, লিটন ‘ইন’
মেহেদী হাসান আউট হয়ে গেছেন। মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠে এসেছেন লিটন। পেশির টান লাগায় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে গিয়েছিলেন। এসেই অবশ্য দৌড়ে রানও নিয়েছেন।
আবার ব্যাটিংয়ে নেমে একটা অপূর্ণতাও শেষ হয়েছে তাঁর। মিরপুরে ওয়ানডেতে আগের ২৭ ইনিংসে ফিফটি ছিল না লিটনের। আজ তিনি তা পেয়েছেন।
ফেরার সিরিজে দুই ফিফটি
৪ বছর পর ওয়ানডেতে ফেরার স্মৃতিটা রঙিন করে রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন। তিন ম্যাচের সিরিজে তিনি পেয়েছেন দ্বিতীয় ফিফটি। প্রথম ম্যাচের পর আজও দলের কঠিন সময়ে ফিফটি পেয়েছেন।
হৃদয় আউট
দুর্দান্ত একটা ইনিংসেরই সমাপ্তি ঘটল। ৮৮ বলে ৮৩ রান করে আউট হয়ে গেছেন তাওহিদ হৃদয়। ৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর লিটন দাসকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজটা শুরু করেছিলেন। তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার পর ৮৩ বলে মোসাদ্দেকের সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়েন হৃদয়।

হৃদয়ের ফিফটি
বাংলাদেশ: ৩৯ ওভারে ১৯৪/৩
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৩তম ফিফটি পেলেন হৃদয়। তাঁকে এখন সঙ্গ দিচ্ছেন ২৩ রানে অপরাজিত থাকা মোসাদ্দেক।
উঠেই গেলেন লিটন
পায়ের পেশির অস্বস্তি বোঝা যাচ্ছিল অনেক্ষণ ধরেই। শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে উঠেই যেতে হলো লিটন দাসকে। তাঁর জায়গায় উইকেটে এসেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। মিরপুরে ওয়ানডে ফিফটি পাওয়ার অপেক্ষা আরও বাড়ল লিটনের। ২৮ ইনিংসে তাঁর কোনো ফিফটি নেই শেরেবাংলায়। আজ মাঠ ছাড়ার আগে ৭৩ বলে ৪৮ রানই সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশ: ৩৩ ওভারে ১৫৮/৩

গরম ও অস্বস্তি
আকাশে মেঘ আছে। কিন্তু তবু আদ্রতা বেশ ভোগাচ্ছে মাঠে থাকা ক্রিকেটারদের। বারবারই ভেজা তোয়ালে নিয়ে আসা হচ্ছে ড্রেসিংরুম থেকে। তা দিয়ে গা মুছছেন, লিটন তো ঘাড়েও দিয়েছেন। তবু ঠিক স্বস্তি মিলছে না, ক্লান্তিটা স্পষ্টই হয়ে উঠেছে।
ম্যাচে বাংলাদেশ শুরুতে বিপদে পড়লেও এখন কিছুটা স্বস্তিতেই আছে। জুটি বেধে তাদের টানছেন লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়। তাদের দুজনের জুটিতে ৮৬ বলে এসেছে ৮২ রান। দলের রানও দেড় শ ছুঁই ছুঁই।
বাংলাদেশ : ৩০ ওভারে ১৪৪/৩
একশ পার
জুটি বেধেছেন তাওহিদ হৃদয় আর লিটন দাস। নাজমুলের উইকেট হারানোর পর একটু বিপদেই ছিল দল। সেখান থেকে এখন কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দলের রানও একশ পেরিয়েছে। রানের গতি মাঝে মন্থর হয়ে গিয়েছিল, এখন তা বেড়েছে।
বাংলাদেশ: ২২ ওভারে ১০১/৩
এবার আউট
একটু আগেই এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দেওয়ায় রিভিউ নিয়েও নাজমুলকে আউট করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। এবারও তিনি গিয়েছিলেন সুইপ করতেই। কিন্তু বলটা তাঁর ব্যাটে থেকে গিয়ে লাগে স্টাম্পে! ৫০ বলে ২৪ রান করে আউট হয়েছেন নাজমুল। ইনিংসের ১৫তম ওভারে এসেই বাংলাদেশ হারিয়েছে তৃতীয় উইকেট।
নাজমুলকে আউট করতে রিভিউ
সুইপ করতে গিয়ে বলটা প্যাডেই লেগেছিল নাজমুলের। অস্ট্রেলিয়ার আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, কিন্তু বলের ইম্প্যাক্টই বাইরে। রিভিউ হারাতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। নাজমুলের রান এখন ৪৯ বলে ২৪। বাংলাদেশ একটু চাপেই আছে, ২৪ বল ধরে তারা বাউন্ডারি পাচ্ছে না।
বাংলাদেশ: ১৪ ওভারে ৬১/২
এবার আউট তানজিদ
রেনশর বলটা অফ স্টাম্পের বাইরে ছিল। হাঁটু গেড়ে সেটি স্লগ সুইপ করতে গিয়েছিলেন তানজিদ। কিন্তু বলটা ব্যাটে লাগার পরই তিনি টের পান, ক্যাচ উঠে গেছে। মাথাটা নিচু করে ফেলেন হতাশায়। মিড অনে দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ ধরেন মেরিডিয়াথ, ২০ বলে ১৯ রান করে আউট তানজিদ। এর সঙ্গে পাওয়ার প্লের ১০ ওভারও শেষ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ : ১০ ওভারে ৫৩/২
বাংলাদেশের ৫০
জুটিতে পঞ্চাশ পেরিয়েছেন নাজমুল হোসেন ও তানজিদ হাসান। ২ রানে ফিরে গিয়েছিলেন সৌম্য সরকার, এরপর থেকে জুটি বেধে দলেরও পঞ্চাশ পার করেছেন তারা।
পাওয়ার প্লের অর্ধেক শেষ
পাওয়ার প্লের অর্ধেক শেষ হয়েছে। প্রথম ওভারেই উইকেট হারানোর পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। তানজিদ আর নাজমুল ব্যাট চালাচ্ছেন, কিছু বল ব্যাটে লাগছে, কিছু লাগেনি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে তানজিদ ছক্কা মারায় ৫ ওভারে রান এখন ১ উইকেটে ২৫।

প্রথম ওভারেই সৌম্য আউট
ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ বলেই প্রথম উইকেটটা হারিয়ে ফেলল বাংলাদেশ। ড্রাইভ করতে গিয়ে ইনসাইড এজ হয়ে বল গেছে তাঁর স্টাম্পে। ৪ বল খেলে ২ রান করেছেন সৌম্য।
বাংলাদেশ : ১ ওভারে ২/১

একাদশ
বাংলাদেশের একাদশে আজ পরিবর্তন এসেছে দুটি। মিরাজ না খেলায় গতকাল বিকেলেই দলে ঢোকা আরেক মেহেদীকে রাখা হয়েছে একাদশে। আজও জায়গা হয়নি লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের, পুরো সিরিজটাই তিনি বেঞ্চে বসে কাটিয়ে দিলেন। একাদশে অন্য বদলটি পেস বোলিং বিভাগে— নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হচ্ছে শরীফুল ইসলামকে।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশেও দুটি পরিবর্তন এসেছে আজ। ম্যাথু শর্ট আর নাথান এলিস নেই, আছেন বেন বেন ডোয়ারশুইস ও অলি পিক।
বাংলাদেশ একাদশ:
তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, শরীফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: জশ ইংলিস (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ারশুইস, ক্যামেরন গ্রিন, মারনাস লাবুশেন, ম্যাথু রেনশ, লিয়াম স্কট, অলি পিকে ও অ্যাডাম জাম্পা।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত
টসে জিতেছে বাংলাদেশ। বেছে নেওয়া হয়েছে আগে ব্যাটিং। এই ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন।
নিয়মিত অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। টসের সময় নাজমুল জানিয়েছেন, মিরাজ সুস্থ আছেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তবে আজ একাদশে নেই।
স্বাগত…
বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে পাঠকদের স্বাগত। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ নামছে অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্য নিয়ে। একই মাঠে হওয়া প্রথম ম্যাচে ৮৬ রানে, আর দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতেছিল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

এডমিন 










