০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি নোবেল না পেলে সেটা হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অপমান: ট্রাম্প

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • 32

নিজেকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতা হিসেবে তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়া হয়, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “বড় অপমান” হবে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে এক সামরিক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আমি নোবেল পুরস্কার পাব? অবশ্যই না। ওরা সেটা দেবে এমন কাউকে, যে কিছুই করেনি। এটা আমাদের দেশের জন্য একটি বিশাল অপমান।”

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি বিশ্বের নানা সংঘাত ও যুদ্ধের পেছনে সমাধানকারী ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেছেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ‘ভেতর থেকে এক ধরনের যুদ্ধের’ সম্মুখীন, যার পেছনে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অভিবাসন। এ সমস্যা মোকাবিলায় তিনি সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

তার ভাষায়, “এটাও এক ধরনের যুদ্ধ, এবং এই যুদ্ধে আমাদের সৈন্যদের অংশ নিতে হবে।” তিনি জানান, এরই মধ্যে তিনি একটি “কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স” গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন, যেটি অপরাধ দমনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বৈঠকে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন কয়েকটি শহরে অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেন এবং বলেন, “আমরা একে একে সেগুলো ঠিক করব।”

এ সময় ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের সমালোচনাও করেন। সাংবাদিকদের “অসম্মানজনক ও ঘৃণ্য” বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা কখনই সত্য প্রকাশ করে না।”

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

আমি নোবেল না পেলে সেটা হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অপমান: ট্রাম্প

আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

নিজেকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতা হিসেবে তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়া হয়, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “বড় অপমান” হবে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে এক সামরিক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আমি নোবেল পুরস্কার পাব? অবশ্যই না। ওরা সেটা দেবে এমন কাউকে, যে কিছুই করেনি। এটা আমাদের দেশের জন্য একটি বিশাল অপমান।”

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি বিশ্বের নানা সংঘাত ও যুদ্ধের পেছনে সমাধানকারী ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেছেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ‘ভেতর থেকে এক ধরনের যুদ্ধের’ সম্মুখীন, যার পেছনে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অভিবাসন। এ সমস্যা মোকাবিলায় তিনি সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

তার ভাষায়, “এটাও এক ধরনের যুদ্ধ, এবং এই যুদ্ধে আমাদের সৈন্যদের অংশ নিতে হবে।” তিনি জানান, এরই মধ্যে তিনি একটি “কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স” গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন, যেটি অপরাধ দমনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বৈঠকে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন কয়েকটি শহরে অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেন এবং বলেন, “আমরা একে একে সেগুলো ঠিক করব।”

এ সময় ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের সমালোচনাও করেন। সাংবাদিকদের “অসম্মানজনক ও ঘৃণ্য” বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা কখনই সত্য প্রকাশ করে না।”