০২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ভারতের

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • 7


ক্ষেপণাস্ত্র
দুনিয়ার
শীর্ষ
সারিতে

বর্তমানে
রাশিয়ার
কাছে
বিশ্বের
দীর্ঘতম
পাল্লার
ক্ষেপণাস্ত্র
‘আরএস-২৮
সারমাট’

আর-টোয়েন্টি
নাইন
আর-এম-ইউ
টু
পয়েন্ট
ওয়ান
লাইনার
রয়েছে,
যাদের
পাল্লা
১২
হাজার
কিলোমিটারের
বেশি।
চীনের
‘ডিএফ-৪১’
ক্ষেপণাস্ত্রের
পাল্লা
১২
হাজার
থেকে
১৫
হাজার
কিলোমিটার।
যুক্তরাষ্ট্রের
হাতে
রয়েছে
‘মিনিটম্যান-৩’
এবং
উত্তর
কোরিয়ার
ক্ষেপণাস্ত্রের
পাল্লাও
১০
থেকে
১৫
হাজার
কিলোমিটারের
কাছাকাছি।

আইসিবিএম
প্রযুক্তি
আয়ত্ত
করার
অর্থ
হলো
জটিল
রকেট
প্রপালশন,
গাইডেন্স
সিস্টেম
এবং
বায়ুমণ্ডলে
পুনরায়
প্রবেশের
প্রযুক্তিতে
দক্ষতা
অর্জন
করা।
এটি
মূলত
পারমাণবিক
হামলার
পাল্টা
জবাব
দেওয়ার
সক্ষমতা
নিশ্চিত
করে,
যা
অন্য
কোনো
দেশকে
আগে
আক্রমণ
করা
থেকে
বিরত
রাখে।

ভারত
বিশেষ
‘গ্লাইড
ওয়েপন’
প্রযুক্তি
উদ্ভাবন
করেছে,
যা
সাধারণ
বা
লক্ষ্যহীন
যুদ্ধাস্ত্রকে
সুনির্দিষ্ট
লক্ষ্যভেদী
অস্ত্রে
রূপান্তর
করতে
পারে।
এর
মাধ্যমে
ভারত
উন্নত
অস্ত্র
সক্ষমতাসম্পন্ন
দেশগুলোর
এলিট
ক্লাবে
প্রবেশ
করল।

ট্যাগঃ

সীমান্তে লাশ মাড়িয়ে দুই দেশের সত্যিকারের বন্ধুত্ব হতে পারে না

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ভারতের

আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬


ক্ষেপণাস্ত্র
দুনিয়ার
শীর্ষ
সারিতে

বর্তমানে
রাশিয়ার
কাছে
বিশ্বের
দীর্ঘতম
পাল্লার
ক্ষেপণাস্ত্র
‘আরএস-২৮
সারমাট’

আর-টোয়েন্টি
নাইন
আর-এম-ইউ
টু
পয়েন্ট
ওয়ান
লাইনার
রয়েছে,
যাদের
পাল্লা
১২
হাজার
কিলোমিটারের
বেশি।
চীনের
‘ডিএফ-৪১’
ক্ষেপণাস্ত্রের
পাল্লা
১২
হাজার
থেকে
১৫
হাজার
কিলোমিটার।
যুক্তরাষ্ট্রের
হাতে
রয়েছে
‘মিনিটম্যান-৩’
এবং
উত্তর
কোরিয়ার
ক্ষেপণাস্ত্রের
পাল্লাও
১০
থেকে
১৫
হাজার
কিলোমিটারের
কাছাকাছি।

আইসিবিএম
প্রযুক্তি
আয়ত্ত
করার
অর্থ
হলো
জটিল
রকেট
প্রপালশন,
গাইডেন্স
সিস্টেম
এবং
বায়ুমণ্ডলে
পুনরায়
প্রবেশের
প্রযুক্তিতে
দক্ষতা
অর্জন
করা।
এটি
মূলত
পারমাণবিক
হামলার
পাল্টা
জবাব
দেওয়ার
সক্ষমতা
নিশ্চিত
করে,
যা
অন্য
কোনো
দেশকে
আগে
আক্রমণ
করা
থেকে
বিরত
রাখে।

ভারত
বিশেষ
‘গ্লাইড
ওয়েপন’
প্রযুক্তি
উদ্ভাবন
করেছে,
যা
সাধারণ
বা
লক্ষ্যহীন
যুদ্ধাস্ত্রকে
সুনির্দিষ্ট
লক্ষ্যভেদী
অস্ত্রে
রূপান্তর
করতে
পারে।
এর
মাধ্যমে
ভারত
উন্নত
অস্ত্র
সক্ষমতাসম্পন্ন
দেশগুলোর
এলিট
ক্লাবে
প্রবেশ
করল।