০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘণ্টা পেরোনোর আগেই লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলো ইসরায়েল

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 3

লেবাননে সদ্য কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে গোলাবর্ষণ ও নজরদারি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও দিব্বিনে ইসরায়েলি আর্টিলারি হামলা চলেছে। মেশিনগানের গুলিবর্ষণ এবং তল্লাশি অভিযানও চালানো হচ্ছে।

এছাড়া পশ্চিম বেকা উপত্যকার রাশায়া অঞ্চল এবং জাবাল আল-শেইখের পশ্চিম ঢালজুড়ে ইসরায়েলি নজরদারি বিমানের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে কথা বলার পর এই ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৩টা থেকে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

তবে, এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ইসরায়েলে। জাফাভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবেদ আবু শেহাদে বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েলি জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার মতে, অনেক ইসরায়েলি মনে করছেন, ট্রাম্পের চাপেই এই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে তেল আবিব।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ১৯৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৮৫ জন আহত হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই এমন হামলা নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং পুরো শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ঘণ্টা পেরোনোর আগেই লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলো ইসরায়েল

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লেবাননে সদ্য কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে গোলাবর্ষণ ও নজরদারি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও দিব্বিনে ইসরায়েলি আর্টিলারি হামলা চলেছে। মেশিনগানের গুলিবর্ষণ এবং তল্লাশি অভিযানও চালানো হচ্ছে।

এছাড়া পশ্চিম বেকা উপত্যকার রাশায়া অঞ্চল এবং জাবাল আল-শেইখের পশ্চিম ঢালজুড়ে ইসরায়েলি নজরদারি বিমানের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে কথা বলার পর এই ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৩টা থেকে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

তবে, এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ইসরায়েলে। জাফাভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবেদ আবু শেহাদে বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েলি জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার মতে, অনেক ইসরায়েলি মনে করছেন, ট্রাম্পের চাপেই এই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে তেল আবিব।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ১৯৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ১৮৫ জন আহত হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই এমন হামলা নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং পুরো শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/