চট্টগ্রামের পটিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
নিহত শিশুটির নাম মো. জায়হান। সে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার বাসিন্দা ও গ্যারেজ মালিক শাহজাহানের একমাত্র সন্তান।
বুধবার (১৭ জুন) দিনগত রাত ৩টার দিকে বাড়ির পাশের এক প্রতিবেশীর ঘরের পেছনে ময়লার ভাগাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে জায়হানের খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। এসময় তারা ঘরের ভেতর হাতে লেখা একটি চিঠি পায়। ওই চিঠিতে মুক্তিপণ দাবি ও হুমকির বিষয় উল্লেখ ছিল বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
পরে বুধবার দিনগত রাত ৩টার দিকে বাড়ির পাশের এক প্রতিবেশীর ঘরের পেছনে ময়লার ভাগাড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে পাঁচজনকে আটক করেছে। তারা হলেন- সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জায়হান বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মুক্তিপণ দাবির চিঠিটিও জব্দ করা হয়েছে। আটক পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
এমআরএএইচ/এমকেআর
এডমিন 










