১২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় কালভার্ট ধসে দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • 1

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি-হেউটনগর সড়কের কালভার্টটি হঠাৎ করেই ধসে পড়েছে। তবে এ সময় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এতে সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন ১৫টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ।

টানা বর্ষণে পাশের মাটি সরে সোমবার (২২ জুন) সকালে কালভার্টটি পাকা সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধসে পড়ে।

এতে করে উপজেলার নিমগাছি ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অর্থায়নে ২০০১ সালে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশন উন্নয়নে ১৫ মিটার দীর্ঘ কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের কাজ করার কারণে কালভার্টটি বেশি দিন টেকসই হয়নি। কালভার্টটি নির্মাণ কাজ শেষ করার পর থেকেই অনেকটাই নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে মাঠে পানি জমে ছিল। সেই পানি নিষ্কাশনের সময় প্রবল স্রোত ও পানির চাপে কালভার্টের এক পাশের মাটি সরে গিয়ে ধসে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কালভার্টটি ধসে পড়ায় দুই পাশের পাকা সড়কের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষকে বিকল্প পথে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণে টেকসই হয়নি কালভার্টটি। নির্মাণের পর থেকে কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টি ও পানির চাপে এটি ধসে পড়ে। দ্রুত নতুন কালভার্ট নির্মাণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আপাতত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের প্রাক্কলন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সেখানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করা হবে।

এনএইচআর/এএসএম

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

বগুড়ায় কালভার্ট ধসে দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি-হেউটনগর সড়কের কালভার্টটি হঠাৎ করেই ধসে পড়েছে। তবে এ সময় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এতে সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন ১৫টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ।

টানা বর্ষণে পাশের মাটি সরে সোমবার (২২ জুন) সকালে কালভার্টটি পাকা সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধসে পড়ে।

এতে করে উপজেলার নিমগাছি ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষের সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অর্থায়নে ২০০১ সালে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশন উন্নয়নে ১৫ মিটার দীর্ঘ কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের কাজ করার কারণে কালভার্টটি বেশি দিন টেকসই হয়নি। কালভার্টটি নির্মাণ কাজ শেষ করার পর থেকেই অনেকটাই নড়বড়ে হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে মাঠে পানি জমে ছিল। সেই পানি নিষ্কাশনের সময় প্রবল স্রোত ও পানির চাপে কালভার্টের এক পাশের মাটি সরে গিয়ে ধসে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কালভার্টটি ধসে পড়ায় দুই পাশের পাকা সড়কের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষকে বিকল্প পথে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণে টেকসই হয়নি কালভার্টটি। নির্মাণের পর থেকে কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টি ও পানির চাপে এটি ধসে পড়ে। দ্রুত নতুন কালভার্ট নির্মাণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আপাতত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের প্রাক্কলন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সেখানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করা হবে।

এনএইচআর/এএসএম