নিরাপত্তা
বিশেষজ্ঞরা
জানান,
মার্কিন
বাহিনী
কোনো
অঞ্চলে
সামরিক
অভিযানের
আগে
প্রায়
সময়
অস্থায়ী
ঘাঁটি
তৈরি
করে।
এপ্রিলের
শুরুর
দিকে
ইরানে
একটি
মার্কিন
বিমান
বিধ্বস্ত
হয়েছিল।
এরপর
নিজেদের
বিমানবাহিনীর
দুই
সেনাকে
উদ্ধার
করতে
বিশেষ
অভিযান
শুরু
করেছিল
যুক্তরাষ্ট্র।
তখন
ইরানের
ভেতরেও
একটি
অস্থায়ী
অগ্রবর্তী
আভিযানিক
ঘাঁটি
(ফ্রন্ট-অপারেটিং
বেস)
তৈরি
করা
হয়েছিল।
এ
অভিযানের
সময়
সেখানে
যুক্তরাষ্ট্রের
কিছু
যুদ্ধবিমান
ও
হেলিকপ্টার
আটকা
পড়েছিল।
পরে
মার্কিন
সেনারা
সেগুলো
নিজেরাই
ধ্বংস
করে
দিয়েছিল।
হরাইজন
এনগেজ
নামের
একটি
কৌশলগত
পরামর্শক
প্রতিষ্ঠানের
গবেষণা
প্রধান
মাইকেল
নাইটস
বলেন,
‘অভিযানের
আগে
স্থান
রেকি
(পর্যবেক্ষণ)
করা
এবং
অস্থায়ী
ঘাঁটি
স্থাপন
করা
স্বাভাবিক।’
নাইটস
বলেন,
ইরাকের
পশ্চিমাঞ্চলীয়
মরুভূমি
অঞ্চল
বিশাল
ও
জনবসতিশূন্য।
এ
জন্য
অস্থায়ী
ঘাঁটি
স্থাপনের
জন্য
তা
একটি
আদর্শ
স্থান।
১৯৯১
ও
২০০৩
সালে
সাদ্দাম
হোসেনের
বিরুদ্ধে
অভিযানের
অংশ
হিসেবে
যুক্তরাষ্ট্রের
স্পেশাল
ফোর্সও
এই
এলাকাটি
ব্যবহার
করেছিল।
এডমিন 














