এই
রেস্তোরাঁশ্রমিক
বলেন,
এখানে
ভোর
৬টা
থেকে
বেলা
৩টা
পর্যন্ত
আবার
মধ্যে
দুই
ঘণ্টা
বিরতি
দিয়ে
বিকেল
৫টা
থেকে
রাত
১০টা
পর্যন্ত
টানা
দাঁড়িয়ে
কাজ
করতে
হয়।
কোমরের
হাড়
ক্ষয়ের
সমস্যা
থাকায়
মাঝেমধ্যে
কাজ
করা
কঠিন
হয়ে
পড়ে।
তাজুল
ইসলাম
বলেন,
রেস্তোরাঁর
মালিক
খাবারের
দায়িত্ব
বহন
করে
দৈনিক
৫০০
টাকা
মজুরি
দেন।
এই
টাকায়
নিজের
জন্য
ওষুধ
কেনা,
ছেলের
পড়াশোনার
খরচ
পাঠানোসহ
সংসারের
সব
ব্যয়
নির্বাহ
করা
কঠিন
হয়ে
পড়ে।
তার
ওপর
এখন
তেলের
সংকটে
বাজারে
সবকিছুর
দাম
বেড়েছে।
এখন
এ
আয়ে
আর
কোনোভাবেই
ব্যয়
মিটছে
না।
ইচ্ছা
করলেও
পরিবারের
জন্য
ভালো–মন্দ
কিছু
কেনা
যায়
না।
এডমিন 













