০৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাতৃভাষায় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখিতে কোনো অসুবিধা দেখি না— শরীফ মাহমুদ ছিদ্দিকী, শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 0

শরীফ
মাহমুদ
ছিদ্দিকীর
লেখা
বই
ধূমকেতু
ফাইল
ছবি



শরীফ
মাহমুদ
ছিদ্দিকী:

আমাদের
বিদ্যালয়গুলোতে
আনন্দের
সঙ্গে
বিজ্ঞান
শিক্ষাদানের
তেমন
কোনো
ব্যবস্থা
নেই,
নেই
তেমন
কোনো
কার্যকর
উদ্যোগও।
অনেক
স্কুলে
বিজ্ঞানাগার
বা
ল্যাবরেটরি
নেই।
লাইব্রেরি
থাকলেও
বিজ্ঞানের
হালনাগাদ
বা
নতুন
কোনো
বই
থাকে
না।
বিজ্ঞান
শিক্ষকের
কথা
না-হয়
বাদই
দিলাম!

অবস্থায়
কীভাবে
বিজ্ঞান
শিক্ষা
সম্ভব?


আমার
মনে
হয়,
প্রতিটি
বিদ্যালয়ে
একটি
করে
বিজ্ঞান
ক্লাব
থাকা
প্রয়োজন।
এই
ক্লাবের
পক্ষ
থেকে
বিজ্ঞান
মেলা,
বিজ্ঞান
বক্তৃতা
এবং
অলিম্পিয়াডের
আয়োজন
করলে
শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞানের
প্রতি
আগ্রহী
হয়ে
উঠবে,
তারা
প্রশ্ন
করতে
শিখবে।
প্রসঙ্গক্রমে
আমাদের
বিজ্ঞান
বক্তা
আসিফ
ভাইয়ের
কথা
বলা
যায়।
তিনিই
আমাদের
দেশের
একমাত্র
পেশাদার
বিজ্ঞান
বক্তা
এবং
অনেক
দিন
ধরে
তিনি
অত্যন্ত
সুনামের
সঙ্গে
এই
কাজ
করে
আসছেন।


যাহোক,
যে
কথা
বলছিলাম—প্রতিটি
বিদ্যালয়ে
যদি
আকাশ
পর্যবেক্ষণের
ব্যবস্থা
থাকে,
তবে
শিক্ষার্থীরা
দূরবিন
বা
টেলিস্কোপ
দিয়ে
সরাসরি
গ্রহ,
নক্ষত্র,
নীহারিকা
বা
ধূমকেতু
পর্যবেক্ষণ
করতে
পারবে।
মহাকাশ
সম্পর্কে
বাস্তব
ধারণা
পাবে।
এভাবেই
বিজ্ঞানের
প্রতি
তাদের
ভীতি
আস্তে
আস্তে
দূর
হবে।


অনেকেই
মনে
করেন,
বাঙালিদের
দিয়ে
বিজ্ঞান
গবেষণা
সম্ভব
নয়।
বাঙালিরা
শুধু
কবিতা
বা
গল্প-উপন্যাস
লিখবেন
এবং
শিল্প-সাহিত্য
চর্চা
করবেন।
এটি
সম্পূর্ণ
ভুল
একটি
ধারণা।
আমাদের
দেশেই
অনেক
বড়
বড়
বিজ্ঞানী
জন্মগ্রহণ
করেছেন।
তাঁরা
বাংলার
মাটিতে
বসেই
যুগান্তকারী
সব
আবিষ্কার
করেছেন।


অমল
কুমার
রায়চৌধুরীর
কথাই
ধরুন।
তাঁকে
নিয়ে
আমি

বাংলার
আইনস্টাইন
অমল
কুমার
রায়চৌধুরী

শীর্ষক
একটি
বই
লিখেছিলাম।
শুনলে
হয়তো
অবাক
হবেন,
বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্বে
বা
কসমোলজিতে
তাঁর
নামেই
একটি
বিখ্যাত
সমীকরণ
রয়েছে,
যা
রায়চৌধুরী
ইকুয়েশন
নামে
পরিচিত।
এই
সমীকরণ
ব্যবহার
করেই
বিখ্যাত
বিজ্ঞানী
স্টিফেন
হকিং
তাঁর
সিঙ্গুলারিটি
তত্ত্ব
প্রমাণ
করেছিলেন।
অথচ
আমাদের
ছেলেমেয়েরা
রায়চৌধুরীর
নাম
শোনেনি,
তাঁকে
জানেও
না।
ভুবনবিখ্যাত
বিজ্ঞানী
জগদীশচন্দ্র
বসু,
প্রফুল্লচন্দ্র
রায়,
মেঘনাদ
সাহা
বা
সত্যেন্দ্রনাথ
বসুর
আবিষ্কারের
কথা
এখানে
নতুন
করে
আর
বললাম
না।
অতএব,
কঠিন
বলে
কিছু
নেই।

বিষয়ে
আমাদের
মনমানসিকতা
এবং
ধ্যানধারণার
পরিবর্তন
ঘটাতে
হবে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সোমালিয়া উপকূলে নতুন করে বেড়েছে জলদস্যুতা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

মাতৃভাষায় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখিতে কোনো অসুবিধা দেখি না— শরীফ মাহমুদ ছিদ্দিকী, শৌখিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

শরীফ
মাহমুদ
ছিদ্দিকীর
লেখা
বই
ধূমকেতু
ফাইল
ছবি



শরীফ
মাহমুদ
ছিদ্দিকী:

আমাদের
বিদ্যালয়গুলোতে
আনন্দের
সঙ্গে
বিজ্ঞান
শিক্ষাদানের
তেমন
কোনো
ব্যবস্থা
নেই,
নেই
তেমন
কোনো
কার্যকর
উদ্যোগও।
অনেক
স্কুলে
বিজ্ঞানাগার
বা
ল্যাবরেটরি
নেই।
লাইব্রেরি
থাকলেও
বিজ্ঞানের
হালনাগাদ
বা
নতুন
কোনো
বই
থাকে
না।
বিজ্ঞান
শিক্ষকের
কথা
না-হয়
বাদই
দিলাম!

অবস্থায়
কীভাবে
বিজ্ঞান
শিক্ষা
সম্ভব?


আমার
মনে
হয়,
প্রতিটি
বিদ্যালয়ে
একটি
করে
বিজ্ঞান
ক্লাব
থাকা
প্রয়োজন।
এই
ক্লাবের
পক্ষ
থেকে
বিজ্ঞান
মেলা,
বিজ্ঞান
বক্তৃতা
এবং
অলিম্পিয়াডের
আয়োজন
করলে
শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞানের
প্রতি
আগ্রহী
হয়ে
উঠবে,
তারা
প্রশ্ন
করতে
শিখবে।
প্রসঙ্গক্রমে
আমাদের
বিজ্ঞান
বক্তা
আসিফ
ভাইয়ের
কথা
বলা
যায়।
তিনিই
আমাদের
দেশের
একমাত্র
পেশাদার
বিজ্ঞান
বক্তা
এবং
অনেক
দিন
ধরে
তিনি
অত্যন্ত
সুনামের
সঙ্গে
এই
কাজ
করে
আসছেন।


যাহোক,
যে
কথা
বলছিলাম—প্রতিটি
বিদ্যালয়ে
যদি
আকাশ
পর্যবেক্ষণের
ব্যবস্থা
থাকে,
তবে
শিক্ষার্থীরা
দূরবিন
বা
টেলিস্কোপ
দিয়ে
সরাসরি
গ্রহ,
নক্ষত্র,
নীহারিকা
বা
ধূমকেতু
পর্যবেক্ষণ
করতে
পারবে।
মহাকাশ
সম্পর্কে
বাস্তব
ধারণা
পাবে।
এভাবেই
বিজ্ঞানের
প্রতি
তাদের
ভীতি
আস্তে
আস্তে
দূর
হবে।


অনেকেই
মনে
করেন,
বাঙালিদের
দিয়ে
বিজ্ঞান
গবেষণা
সম্ভব
নয়।
বাঙালিরা
শুধু
কবিতা
বা
গল্প-উপন্যাস
লিখবেন
এবং
শিল্প-সাহিত্য
চর্চা
করবেন।
এটি
সম্পূর্ণ
ভুল
একটি
ধারণা।
আমাদের
দেশেই
অনেক
বড়
বড়
বিজ্ঞানী
জন্মগ্রহণ
করেছেন।
তাঁরা
বাংলার
মাটিতে
বসেই
যুগান্তকারী
সব
আবিষ্কার
করেছেন।


অমল
কুমার
রায়চৌধুরীর
কথাই
ধরুন।
তাঁকে
নিয়ে
আমি

বাংলার
আইনস্টাইন
অমল
কুমার
রায়চৌধুরী

শীর্ষক
একটি
বই
লিখেছিলাম।
শুনলে
হয়তো
অবাক
হবেন,
বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্বে
বা
কসমোলজিতে
তাঁর
নামেই
একটি
বিখ্যাত
সমীকরণ
রয়েছে,
যা
রায়চৌধুরী
ইকুয়েশন
নামে
পরিচিত।
এই
সমীকরণ
ব্যবহার
করেই
বিখ্যাত
বিজ্ঞানী
স্টিফেন
হকিং
তাঁর
সিঙ্গুলারিটি
তত্ত্ব
প্রমাণ
করেছিলেন।
অথচ
আমাদের
ছেলেমেয়েরা
রায়চৌধুরীর
নাম
শোনেনি,
তাঁকে
জানেও
না।
ভুবনবিখ্যাত
বিজ্ঞানী
জগদীশচন্দ্র
বসু,
প্রফুল্লচন্দ্র
রায়,
মেঘনাদ
সাহা
বা
সত্যেন্দ্রনাথ
বসুর
আবিষ্কারের
কথা
এখানে
নতুন
করে
আর
বললাম
না।
অতএব,
কঠিন
বলে
কিছু
নেই।

বিষয়ে
আমাদের
মনমানসিকতা
এবং
ধ্যানধারণার
পরিবর্তন
ঘটাতে
হবে।