শাহিদা
খাতুন
বললেন,
তাঁর
বাচ্চার
বয়স
এখন
চার
মাস।
এর
মধ্যে
দুই
মাসই
কাটল
হাসপাতালে।
প্রথমে
বাচ্চার
ঠান্ডা
লাগা,
জ্বর,
শ্বাসকষ্ট
ও
নিউমোনিয়া
হয়েছিল।
১০
রোজার
দিন
দুই
মাস
বয়সী
বাচ্চা
নিয়ে
প্রথম
হাসপাতালে
আসেন।
টানা
২০
দিন
হাসপাতালে
ছিলেন।
তখন
তিন
দিন
আইসিইউতে
রাখতে
হয়েছিল।
কিছুটা
সুস্থ
মনে
হলে
ডাক্তার
ছুটি
দিয়েছিলেন।
মাত্র
দুই
দিন
বাসায়
ছিলেন।
বাসায়
গিয়ে
দেখেন,
বাচ্চার
গায়ে
হাম
উঠেছে।
তখনই
হাসপাতাল
ফেরত
আসেন।
প্রথমবার
হাসপাতালে
২৪
নম্বর
ওয়ার্ডে
আর
দ্বিতীয়বার
১০
নম্বর
ওয়ার্ডে
ভর্তি
করা
হয়।
দ্বিতীয়
দফায়
ভর্তি
হওয়ার
১০
দিন
পর
চিকিৎসক
শিশুটিকে
আবার
আইসিইউতে
নিলেন।
তখন
আইসিইউতে
পাঁচ
দিন
রাখলেন।
তারপর
আবার
ওয়ার্ডে
পাঠালেন।
হাম
ঠিক
হলো।
কিন্তু
হাম–পরবর্তী
জটিলতা
শুরু
হয়েছে।
এখন
বাচ্চার
নিউমোনিয়া,
ঠান্ডা
লাগা,
ফুসফুসের
সমস্যা
ও
রক্তে
জীবাণু
ধরা
পড়েছে।
এবার
১০
দিন
থেকে
আইসিইউতে
রাখা
হয়েছে।
অক্সিজেন
খুলে
দিলেই
শিশুটির
অবস্থা
খারাপ
হয়ে
যাচ্ছে।
শাহিদা
বলেন,
এবার
আইসিইউতে
আসার
পর
তাঁদের
হাতের
টাকাপয়সা
সব
শেষ
হয়ে
গেছে।
তাঁদের
আর
হাসপাতালে
থাকার
উপায়
নেই।
তাঁরা
চলে
যেতে
চান;
কিন্তু
তিন-চার
দিন
থেকে
আইসিইউ
ইনচার্জ
আবু
হেনা
মোস্তফা
কামাল
চিকিৎসার
দায়িত্ব
নিয়েছেন।
কিন্তু
শহরে
থাকা–খাওয়ার
একটা
খরচ
আছে।
তাঁদের
আর
কোনো
উপায়
নেই।
তাঁরা
আর
থাকতে
চান
না।
এডমিন 













