আমরা
জানি
যে
থ্যালাসেমিয়া
পুরোপুরি
প্রতিরোধ
করা
সম্ভব।
এ
জন্য
বিয়ের
আগে
থ্যালাসেমিয়া
রোগের
বাহক
পরীক্ষা
(হিমোগ্লোবিন
ইলেকট্রফোরেসিস)
করতে
হবে
এবং
দুজন
বাহক
নারী-পুরুষের
বিয়ে
নিরুৎসাহিত
করার
ব্যাপারে
সচেতনতা
সৃষ্টি
করতে
হবে।
এ
ছাড়া
গর্ভাবস্থায়
পরীক্ষা
(প্রিন্যাটাল
স্ক্রিনিং)
করে
থ্যালাসেমিয়ায়
আক্রান্ত
শিশুর
জন্ম
এড়ানো
যায়।
কিন্তু
আমাদের
দেশে
এখনো
এ
ধরনের
সচেতনতা
ও
থ্যালাসেমিয়ার
পরীক্ষার
ব্যবস্থা
সীমিত।
ফলে
প্রতিবছর
নতুন
করে
থ্যালাসেমিয়ায়
আক্রান্ত
শিশু
জন্ম
নিচ্ছে।
সরকারি
তথ্যমতে,
বাংলাদেশে
প্রতিবছর
প্রায়
আট
হাজার
শিশু
থ্যালাসেমিয়া
নিয়ে
জন্মগ্রহণ
করছে।
থ্যালাসেমিয়া
রোগীরা
শুধু
শারীরিক
নয়,
মানসিক
ও
সামাজিক
সমস্যারও
মুখোমুখি
হন।
পড়াশোনা,
চাকরি,
বিয়ে—সব
ক্ষেত্রেই
নানা
বাধা
আসে।
অনেক
সময়
সামাজিক
কুসংস্কারও
পরিস্থিতি
আরও
কঠিন
করে
তোলে।
আবার
থ্যালাসেমিয়ার
বাহক
শনাক্ত
হলে
অনেকে
ঘাবড়ে
যান।
বিষয়টি
গোপনের
চেষ্টা
করেন।
থ্যালাসেমিয়া
রোগী
ও
বাহক
কিন্তু
আলাদা।
থ্যালাসেমিয়া
রোগীরা
সব
সময়
অসুস্থ
থাকেন
এবং
তাঁদের
নিয়মিত
রক্ত
গ্রহণের
পাশাপাশি
ওষুধ
সেবনের
প্রয়োজন
হয়।
কিন্তু
থ্যালাসেমিয়া
বাহকেরা
সুস্থ
থাকেন
এবং
বাইরে
থেকে
কোনো
লক্ষণ
প্রকাশ
পায়
না।
তাঁদের
রক্ত
গ্রহণেরও
প্রয়োজন
হয়
না।
স্বামী-স্ত্রী
দুজন
থ্যালাসেমিয়া
বাহক
হলে
তাঁদের
সন্তান
থ্যালাসেমিয়া
রোগী
হওয়ার
ঝুঁকি
থাকে।
তবে
একজন
থ্যালাসেমিয়া
বাহক
অনায়াসে
আরেকজন
সুস্থ
মানুষকে
বিয়ে
করতে
পারবেন।
এ
ক্ষেত্রে
তাঁদের
পরবর্তী
প্রজন্ম
সম্পূর্ণ
সুস্থ
থাকবে।
এডমিন 

















