মামলার
বিষয়টি
নিশ্চিত
করে
আশুলিয়া
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
মো.
তরিকুল
ইসলাম
প্রথম
আলোকে
বলেন,
অভিযোগের
পরিপ্রেক্ষিতে
হত্যাচেষ্টা
ও
ধর্ষণচেষ্টার
মামলা
রুজু
হয়েছে।
মামলাটি
খুবই
গুরুত্বের
সঙ্গে
দেখা
হচ্ছে।
ইতিমধ্যে
বিশ্ববিদ্যালয়
ও
আশপাশের
এলাকায়
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী
বাহিনীর
কয়েকটি
ইউনিট
কাজ
করছে।
অতি
দ্রুত
আসামিকে
গ্রেপ্তার
করতে
সক্ষম
হবেন
বলে
তাঁরা
আশাবাদী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
কয়েকজন
শিক্ষার্থী
ও
প্রক্টর
কার্যালয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
গতকাল
রাত
১১টার
দিকে
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থী
ক্যাম্পাসের
ভেতরে
সড়ক
দিয়ে
যাচ্ছিলেন।
অভিযুক্ত
ব্যক্তি
তাঁর
পিছু
নেন।
একপর্যায়ে
ওই
ছাত্রী
পরিত্যক্ত
ফজিলাতুন্নেছা
হল-সংলগ্ন
সড়কে
গেলে
অভিযুক্ত
ব্যক্তি
ওই
ছাত্রীর
কাছাকাছি
আসেন।
তখন
তিনি
ক্যাম্পাসের
কেউ
কি
না,
জিজ্ঞাসা
করেন
ওই
ছাত্রী।
উত্তরে
ওই
ব্যক্তি
জানান,
তিনি
ক্যাম্পাসের
৪৮তম
ব্যাচের
শিক্ষার্থী
এবং
পাশের
বিশমাইল
এলাকায়
থাকেন।
কথা
শেষে
ভুক্তভোগীর
গলায়
জাল
পেঁচিয়ে
অন্ধকারে
নিয়ে
ধর্ষণের
চেষ্টা
করেন।
ভুক্তভোগী
কোনোমতে
বেরিয়ে
সড়কে
চলে
আসেন।
এ
সময়
সড়কে
চলাচলকারী
কয়েকজন
ভুক্তভোগীকে
উদ্ধার
করে
চিকিৎসাকেন্দ্রে
নিয়ে
যান।
পরে
ভুক্তভোগীসহ
শিক্ষার্থীরা
সিসিটিভি
ফুটেজ
দেখে
একজনকে
দেখতে
পেলেও
তাঁর
পরিচয়
নিশ্চিত
হওয়া
যায়নি।
এডমিন 














