এরপর
বাণিজ্যমন্ত্রী
বলেন,
‘তবে
চুক্তি
বাস্তবায়নের
সময়
এমন
কিছু
যদি
আমাদের
সামনে
আসে,
যা
দেশের
স্বার্থের
অনুকূল
নয়,
তাহলে
সেই
ধারা
সংশোধন
করার
সুযোগ
এই
চুক্তির
মধ্যেই
রয়েছে।’
মূল্যস্ফীতি
নিয়ে
এক
প্রশ্নের
জবাবে
খন্দকার
আবদুল
মুক্তাদির
বলেন,
জ্বালানি
তেলের
মূল্য
অন্য
দেশের
তুলনায়
খুবই
সামান্য
বেড়েছে।
এটির
ফলে
পণ্য
মূল্যের
ওপরে
যে
অভিঘাত,
তা
‘ওয়ানটাইম
স্পাইক,
ওয়ানটাইম
ইনক্রিজ’।
এ
কারণে
মূল্যস্ফীতি
হবে
না।
বাণিজ্যমন্ত্রীর
মতে,
ডিজেলের
মূল্য
যে
পরিমাণ
বৃদ্ধি
পেয়েছে,
তাতে
পণ্যের
মূল্য
খুব
বেশি
বাড়ার
কথা
নয়।
কেউ
যদি
বাড়তি
মূল্য
রাখে,
তার
বিরুদ্ধে
সরকার
ব্যবস্থা
নেবে।
তবে
দাম
বাড়বে
বলে
অনুমান
করেও
দাম
বাড়িয়ে
দেওয়া
ঠিক
নয়।
দেশের
বন্দর
ব্যবস্থাপনায়
দক্ষতার
ঘাটতির
কারণে
পণ্য
পরিবহন
ব্যয়
বাড়ছে
বলে
উল্লেখ
করেন
খন্দকার
আবদুল
মুক্তাদির।
তিনি
বলেন,
সেটি
কমাতে
বন্দরগুলোর
সক্ষমতা
বাড়াতে
হবে।
এ
জন্য
একটি
ডেনিশ
কোম্পানিকে
দায়িত্ব
দেওয়া
হয়েছে।
বন্দরের
কাজ
দ্রুত
হলে
ইউনিটপ্রতি
খরচ
কমে
আসবে।
সরকার
এ
বিষয়ে
সুনির্দিষ্ট
পদক্ষেপ
নিচ্ছে।
এডমিন 

















