ইরানের
বিরুদ্ধে
চলমান
নৌ
অবরোধের
প্রভাবের
ওপর
জোর
দিয়ে
একজন
জ্যেষ্ঠ
মার্কিন
গোয়েন্দা
কর্মকর্তা
বলেন,
প্রেসিডেন্টের
এ
অবরোধের
বাস্তব
প্রভাব
রয়েছে।
এর
প্রভাব
ব্যাপকভাবে
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।
এতে
ইরান
বাণিজ্যিকভাবে
বিচ্ছিন্ন
হচ্ছে,
আয়ের
পথ
বন্ধ
হচ্ছে
এবং
অর্থনীতি
কাঠামোগতভাবে
ভেঙে
পড়ছে।
এই
কর্মকর্তা
আরও
বলেন,
ইরানের
সামরিক
শক্তি
মারাত্মকভাবে
দুর্বল
হয়ে
পড়েছে,
নৌবাহিনী
ধ্বংস
হয়ে
গেছে
এবং
দেশটির
নেতারা
আত্মগোপনে
চলে
গেছেন।
এ
বিষয়ে
সরাসরি
কথা
বলার
অনুমতি
না
থাকায়
নাম
প্রকাশ
না
করার
শর্তে
ওই
কর্মকর্তা
বলেন,
ইরানের
শাসকগোষ্ঠীর
কাছে
এখন
নিজের
জনগণের
দুর্ভোগ
বাড়ানো
ছাড়া
আর
কিছু
বাকি
নেই।
যুদ্ধ
দীর্ঘায়িত
করতে
গিয়ে
তারা
নিজেদের
জনগণকে
কষ্টে
রাখছে,
যে
যুদ্ধে
ইতিমধ্যে
তারা
হেরে
গেছে।
এদিকে
প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্প,
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
পিট
হেগসেথ
ও
অন্যান্য
মার্কিন
কর্মকর্তা
যুদ্ধকে
যুক্তরাষ্ট্রের
বিপুল
সামরিক
বিজয়
হিসেবে
অব্যাহতভাবে
তুলে
ধরছেন।
যদিও
ওয়াশিংটনের
দাবি
মেনে
ইউরেনিয়াম
সমৃদ্ধকরণ
বন্ধ
ও
ইউরেনিয়ামের
মজুত
হস্তান্তর
এবং
হরমুজ
প্রণালি
খুলে
দেওয়া
ও
অন্যান্য
পদক্ষেপ
নিতে
এখন
পর্যন্ত
অস্বীকৃতি
জানিয়ে
আসছে
ইরান।
বুধবার
ট্রাম্প
নৌ
অবরোধকে
‘অবিশ্বাস্য’
বলে
উল্লেখ
করে
বলেন,
নৌবাহিনী
অসাধারণ
কাজ
করেছে।
এটি
ইস্পাতের
দেয়ালের
মতো,
যা
ভেঙে
কেউ
চলাচল
করতে
পারছে
না।
আগের
দিন
ট্রাম্প
বলেছিলেন,
ইরানের
অর্থনীতি
‘ধসে
পড়ছে’,
তাদের
মুদ্রা
‘মূল্যহীন’
হয়ে
গেছে
এবং
তারা
সেনাদের
বেতন
পর্যন্ত
দিতে
পারছে
না।
সামরিক
অভিযান
‘ইকোনমিক
ফিউরি’র
কথা
উল্লেখ
করে
এপ্রিলের
শেষ
দিকে
মার্কিন
অর্থমন্ত্রী
স্কট
বেসেন্ট
বলেন,
ইরানের
প্রধান
তেল
টার্মিনাল
শিগগির
পূর্ণ
ধারণক্ষমতায়
পৌঁছাবে।
এতে
ইরানের
তেল
অবকাঠামোর
স্থায়ী
ক্ষতি
হবে।
এডমিন 

















