মোস্তফা
ফরাজি
বলেন,
‘হরিণটি
কোথা
থেকে
এসেছে,
তা
বলতে
পারছি
না।
কুকুরের
তাড়া
খেয়ে
এটি
আমার
বাড়ির
পুকুরপাড়ে
এসে
আটকে
পড়ে।
পরে
আমি
বন
বিভাগসহ
স্থানীয়
লোকজনকে
খবর
দিই।
বন
বিভাগের
লোকজন
এসে
হরিণটি
উদ্ধার
করে
নিয়ে
যান।’
জ্ঞানপাড়া
বিট
কর্মকর্তার
বিশেষ
সহকারী
সুরজিৎ
চৌধুরী
বলেন,
স্থানীয়
বাসিন্দাদের
মাধ্যমে
খবর
পেয়ে
বন
বিভাগের
একটি
দল
ঘটনাস্থলে
গিয়ে
হরিণটি
উদ্ধার
করে।
উদ্ধারকালে
হরিণটি
কিছুটা
অসুস্থ
ছিল।
পরে
প্রয়োজনীয়
চিকিৎসা
শেষে
সেটিকে
সুন্দরবনে
অবমুক্ত
করা
হয়েছে।
পাথরঘাটা
রেঞ্জ
কর্মকর্তা
বদিউল
আলম
সোহাগ
প্রথম
আলোকে
বলেন,
ধারণা
করা
হচ্ছে,
হরিণটি
কোনো
শিকারির
পাতা
ফাঁদ
থেকে
ছুটে
এসেছে।
যেখান
থেকে
হরিণটিকে
উদ্ধার
করা
হয়েছে,
সেখান
থেকে
বনাঞ্চলের
দূরত্ব
প্রায়
এক
কিলোমিটার।
এডমিন 

















