ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী তাকে আগামী চার বছরের জন্য ইউজিসির সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকেই এ নিয়োগ কার্যকর হবে। এরই মধ্যে তিনি কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে যোগদানপত্র জমা দিয়েছেন।
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাডেলফি ইউনিভার্সিটিতে ফুলব্রাইট রিসার্চ প্রফেসরশিপ লাভ করেন। এছাড়া ২০২৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জাপানে জাপান ফাউন্ডেশন ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাডার্সফিল্ডের অর্থনীতি, অর্থায়ন ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি ২০১৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণা পদ্ধতির ওপর পোস্টগ্র্যাজুয়েট সার্টিফিকেট অর্জন করেন। তিনি ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নর্থামব্রিয়া থেকে সার্টিফিকেট ইন ল ডিগ্রি লাভ করেন। পাশাপাশি তিনি মার্কেটিংয়ের ওপর এমবিএ ডিগ্রিধারী।
দেশ-বিদেশে দীর্ঘ শিক্ষকতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা রয়েছে ড. মামুনের। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ডার্বি ও লিডস ট্রিনিটি ইউনিভার্সিটি, জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ ও ইউনিভার্সিটি অব কোবে, ভারতের জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি এবং ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষকতা ও লেকচার প্রদান করেছেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ব্র্যাক, আশা, ইউএসএআইডি, ইউএনডিপি, জেট্রো, জাপান ফাউন্ডেশন এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজসহ (জেবিসিসিআই) বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন।
গবেষণা ও প্রকাশনায়ও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রকাশিত বই, বইয়ের অধ্যায় ও গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫০টির বেশি। তার গবেষণা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি স্প্রিঙ্গার, রাউটলেজ, প্যালগ্রেভ ম্যাকমিলান ও এমেরাল্ডের মতো খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা থেকে তার বই ও বইয়ের অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
এএএইচ/এমএমকে
এডমিন 


















