০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গল্পই যখন গল্পের প্রোটাগনিস্ট

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • 3

‘এত
সব
ভাবারও
কোনো
দরকার
নেই।
আমিই
গল্প,
এখানে
উপস্থিত
হয়েছি
তোমার
মনের
টানে,
তোমার
গল্পবন্ধু
হয়ে।
কাহিনি
বা
গল্প
বলা
এক
বিষয়
আর
আমাকে
নির্মাণ
করা
আরেক
বিষয়।
শত-সহস্র
মানুষ
গল্প
বলতে
পারে,
লিখতে
পারে
কজন?’
‘আমি
কি
পারব?
আমি
তো
এক
আনাড়ি।
জীবনেও
গল্প
লিখিনি।’
‘নিজেকে
ছোট
ভাবছ
কেন?
নিজের
ঐশ্বর্য,
মেধাভান্ডারের
দিকে
তাকাও।
ইতিবাচক
হও।
নিজের
ভেতরের
শক্তিকে
জাগিয়ে
তোলো,
আত্মবিশ্বাসী
হও।
কলম
চালাও।
চারপাশ
থেকে
অভিজ্ঞতা
সঞ্চয়
করতে
থাকো।
তোমার
ভেতরে
উৎসাহ,
আকাঙ্ক্ষা,
চাহিদা
আর
লেখার
তাড়না
টগবগ
করছে।
আমি
তা
দেখতে
পাচ্ছি।
ইচ্ছাশক্তিকে
জোরালো
করো,
কলম
চালাও।’
‘তোমাকে
লেখা
বা
নির্মাণ
করার
কোনো
কলাকৌশল
তো
জানি
না
আমি।’
‘কিছু
কলাকৌশল
তো
আছে,
তবে
সবাই
সেটা
রপ্ত
করতে
পারে
না।
কেউ
কেউ
পারে।
মনে
হয়েছে
তুমিও
পারবে।
কলাকৌশল
ব্যাখ্যা
করা
কঠিন।
তবে
ক্রিয়াপদের
কালরূপ
বিষয়ে
ভালোভাবে
জানতে
হবে,
তার
যথাযথ
ব্যবহার
শিখতে
হবে।
ভাষার
ব্যবহারও।
শুদ্ধ
করে
লেখার
ঘাটতি
থাকলে
চলবে
না।
মনে
রাখতে
হবে,
দক্ষতা
বা
কৌশল
কেউ
কাউকে
শিখিয়ে
দিতে
পারে
না,
লিখতে
লিখতে
অর্জন
করতে
হয়।
অগ্রজদের
রেখে
যাওয়া
সমকালীন
বা
ধ্রুপদি
সাহিত্য
পড়তে
পড়তে
চোখ
কান
খুলে
যাবে।
দক্ষতা
অর্জন
করতে
পারবে।’
‘কী
বিষয়ে
লিখব?’
ভাবনার
ভেতর
থেকে
তেড়ে
ওঠা
মূল
প্রশ্নটা
আবার
জিজ্ঞেস
করলাম।
‘আদি
মানবগোষ্ঠীর
যাত্রার
শুরু
থেকে
গল্পের
ভাবনা
শুরু
হয়েছে।
প্রত্যেক
মানুষের
সমগ্র
জীবন
একেকটা
বড়
আখ্যান,
উপন্যাস
আর
ছোট-বড়
অধ্যায়গুলো
একেকটা
গল্প।
জীবনের
প্রতিটা
বাঁক
একেকটি
গল্পের
প্লট।
যাপিত
জীবনে
ঘটে
যাওয়া
ঘটনা,
উত্থান-পতন,
চিন্তা
চেতনা,
অজানা
কৌতূহল,
চাওয়া-পাওয়া,
জীবন-জীবিকা,
আনন্দ-
বেদনা,
দ্বন্দ্ব-সংঘাত,
নিষ্ঠুরতা-হিংস্রতা,
ঈর্ষা-হিংসা,
ঘৃণা,
যুদ্ধবিগ্রহ,
বিপ্লব,
রাজনীতি,
অর্থনীতি,
সমাজ-সংস্কৃতি,
দর্শন,
মনস্তত্ত্ব,
পারিবারিক
মূল্যবোধ,
ধর্মীয়
অনুশাসন
এবং
জীবনের
সবকিছুর
মধ্যে
কিংবা
সঙ্গে
লুকিয়ে
আছি
আমি।
চোখ-কান
খোলা
রেখে
দেখো,
চারপাশ
ভালোভাবে
প্রত্যক্ষ
করো,
মনের
জানালা,
তথা
পঞ্চ-ইন্দ্রিয়
খুলে
দাও,
দেখবে
আপন
গতিতে
গল্পের
আখ্যান
সৃষ্টি
হয়ে
গেছে।
লেখার
আগ্রহ-উৎসাহের
ভিত
শক্ত
হলে
তোমার
কলমের
নির্দেশে
কিংবা
কম্পিউটারের
কি-বোর্ডে
আঙুলের
স্পর্শে
অভাবনীয়
কাণ্ড
ঘটে
যাবে।’

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

গল্পই যখন গল্পের প্রোটাগনিস্ট

আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

‘এত
সব
ভাবারও
কোনো
দরকার
নেই।
আমিই
গল্প,
এখানে
উপস্থিত
হয়েছি
তোমার
মনের
টানে,
তোমার
গল্পবন্ধু
হয়ে।
কাহিনি
বা
গল্প
বলা
এক
বিষয়
আর
আমাকে
নির্মাণ
করা
আরেক
বিষয়।
শত-সহস্র
মানুষ
গল্প
বলতে
পারে,
লিখতে
পারে
কজন?’
‘আমি
কি
পারব?
আমি
তো
এক
আনাড়ি।
জীবনেও
গল্প
লিখিনি।’
‘নিজেকে
ছোট
ভাবছ
কেন?
নিজের
ঐশ্বর্য,
মেধাভান্ডারের
দিকে
তাকাও।
ইতিবাচক
হও।
নিজের
ভেতরের
শক্তিকে
জাগিয়ে
তোলো,
আত্মবিশ্বাসী
হও।
কলম
চালাও।
চারপাশ
থেকে
অভিজ্ঞতা
সঞ্চয়
করতে
থাকো।
তোমার
ভেতরে
উৎসাহ,
আকাঙ্ক্ষা,
চাহিদা
আর
লেখার
তাড়না
টগবগ
করছে।
আমি
তা
দেখতে
পাচ্ছি।
ইচ্ছাশক্তিকে
জোরালো
করো,
কলম
চালাও।’
‘তোমাকে
লেখা
বা
নির্মাণ
করার
কোনো
কলাকৌশল
তো
জানি
না
আমি।’
‘কিছু
কলাকৌশল
তো
আছে,
তবে
সবাই
সেটা
রপ্ত
করতে
পারে
না।
কেউ
কেউ
পারে।
মনে
হয়েছে
তুমিও
পারবে।
কলাকৌশল
ব্যাখ্যা
করা
কঠিন।
তবে
ক্রিয়াপদের
কালরূপ
বিষয়ে
ভালোভাবে
জানতে
হবে,
তার
যথাযথ
ব্যবহার
শিখতে
হবে।
ভাষার
ব্যবহারও।
শুদ্ধ
করে
লেখার
ঘাটতি
থাকলে
চলবে
না।
মনে
রাখতে
হবে,
দক্ষতা
বা
কৌশল
কেউ
কাউকে
শিখিয়ে
দিতে
পারে
না,
লিখতে
লিখতে
অর্জন
করতে
হয়।
অগ্রজদের
রেখে
যাওয়া
সমকালীন
বা
ধ্রুপদি
সাহিত্য
পড়তে
পড়তে
চোখ
কান
খুলে
যাবে।
দক্ষতা
অর্জন
করতে
পারবে।’
‘কী
বিষয়ে
লিখব?’
ভাবনার
ভেতর
থেকে
তেড়ে
ওঠা
মূল
প্রশ্নটা
আবার
জিজ্ঞেস
করলাম।
‘আদি
মানবগোষ্ঠীর
যাত্রার
শুরু
থেকে
গল্পের
ভাবনা
শুরু
হয়েছে।
প্রত্যেক
মানুষের
সমগ্র
জীবন
একেকটা
বড়
আখ্যান,
উপন্যাস
আর
ছোট-বড়
অধ্যায়গুলো
একেকটা
গল্প।
জীবনের
প্রতিটা
বাঁক
একেকটি
গল্পের
প্লট।
যাপিত
জীবনে
ঘটে
যাওয়া
ঘটনা,
উত্থান-পতন,
চিন্তা
চেতনা,
অজানা
কৌতূহল,
চাওয়া-পাওয়া,
জীবন-জীবিকা,
আনন্দ-
বেদনা,
দ্বন্দ্ব-সংঘাত,
নিষ্ঠুরতা-হিংস্রতা,
ঈর্ষা-হিংসা,
ঘৃণা,
যুদ্ধবিগ্রহ,
বিপ্লব,
রাজনীতি,
অর্থনীতি,
সমাজ-সংস্কৃতি,
দর্শন,
মনস্তত্ত্ব,
পারিবারিক
মূল্যবোধ,
ধর্মীয়
অনুশাসন
এবং
জীবনের
সবকিছুর
মধ্যে
কিংবা
সঙ্গে
লুকিয়ে
আছি
আমি।
চোখ-কান
খোলা
রেখে
দেখো,
চারপাশ
ভালোভাবে
প্রত্যক্ষ
করো,
মনের
জানালা,
তথা
পঞ্চ-ইন্দ্রিয়
খুলে
দাও,
দেখবে
আপন
গতিতে
গল্পের
আখ্যান
সৃষ্টি
হয়ে
গেছে।
লেখার
আগ্রহ-উৎসাহের
ভিত
শক্ত
হলে
তোমার
কলমের
নির্দেশে
কিংবা
কম্পিউটারের
কি-বোর্ডে
আঙুলের
স্পর্শে
অভাবনীয়
কাণ্ড
ঘটে
যাবে।’