এই
টানাপোড়েন
কমাতে
গত
১
এপ্রিল
সেনাপ্রধান
জেনারেল
জর্জ
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
সঙ্গে
একটি
বৈঠকের
অনুরোধ
করেছিলেন;
কিন্তু
সেই
বৈঠক
আর
হয়নি।
পরদিনই
তাঁকে
বরখাস্ত
করা
হয়।
বরখাস্তের
খবরটি
এতটাই
সংক্ষিপ্ত
ও
সরাসরি
ছিল
যে
কোনো
ব্যাখ্যা
পর্যন্ত
দেওয়া
হয়নি।
জেনারেল
জর্জের
এই
বিদায়
পেন্টাগনে
আস্থাহীনতার
জন্ম
দিয়েছে।
পেন্টাগনের
এক
কর্মকর্তা
বলেন,
‘প্রতিদিন
আমাদের
হিসাব
কষে
কাজ
করতে
হয়।
এই
সিদ্ধান্তের
ফলে
বসের
চাকরি
থাকবে
তো,
নাকি
তিনি
বরখাস্ত
হবেন?
এমন
পরিস্থিতি
সত্যিই
নজিরবিহীন।’
তবে
পেন্টাগনের
প্রধান
মুখপাত্র
শন
পার্নেল
এই
অভিযোগ
অস্বীকার
করে
একে
‘রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’
বলে
দাবি
করেছেন।
তিনি
জানান,
প্রেসিডেন্টের
অগ্রাধিকারের
সঙ্গে
সামরিক
নেতৃত্বকে
সামঞ্জস্যপূর্ণ
করতেই
এই
পদক্ষেপ
নেওয়া
হয়েছে।
পেন্টাগনের
ভেতরে
এখন
পদে
টিকে
থাকার
একমাত্র
উপায়—যথাসম্ভব
চুপচাপ
থাকা
এবং
হেগসেথের
নজর
এড়িয়ে
চলা।
ক্ষমতার
বিকেন্দ্রীকরণ
ও
বিশ্বাসের
অভাবে
এখন
পেন্টাগনে
কোনো
নীতিগত
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
কঠিন
হয়ে
পড়েছে।
এডমিন 












