কাতারের
শ্রমমন্ত্রী
জানান,
বর্তমানে
কাতারে
প্রায়
৪
লাখ
৭৩
হাজার
বাংলাদেশি
কর্মরত
আছেন
এবং
তাঁদের
প্রায়
৩০
শতাংশ
উন্নয়ন
প্রকল্পে
কাজ
করছেন।
তিনি
আরও
বলেন,
বাংলাদেশের
পাঁচটি
নির্দিষ্ট
টেকনিক্যাল
ট্রেনিং
সেন্টার
(টিটিসি)
থেকে
সরাসরি
দক্ষ
কর্মী
নিতে
চায়
কাতার।
বাংলাদেশ
সরকারের
পক্ষ
থেকেও
সফরটিকে
নতুন
সম্ভাবনার
দ্বার
হিসেবে
দেখা
হচ্ছে।
বৈদেশিক
কর্মসংস্থান
মন্ত্রণালয়ের
তথ্যমতে,
২০২৩
সালে
বাংলাদেশ
থেকে
১
লাখ
৭
হাজার
৫৯৮
জন
কর্মী
কাতারে
গেছেন।
চলতি
বছরে
এই
সংখ্যা
আরও
বাড়ানোর
আশাবাদ
ব্যক্ত
করেছেন
সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তিরা।
কিন্তু
প্রশ্ন
হচ্ছে,
এই
মুহূর্তে
নতুন
শ্রমিক
পাঠানোর
বিষয়ে
এত
উৎসাহ
কতটা
বাস্তবসম্মত
এবং
মানবিক?
সত্যিই
কি
কাতারে
নতুন
শ্রমিক
পাঠানোর
সময়
এসেছে?
কারণ
বাস্তবতা
বলছে,
কাতারে
এখন
হাজার
হাজার
বাংলাদেশি
শ্রমিক
কাজহীন,
বেতনহীন,
অনিশ্চিত
এবং
মানবেতর
জীবনযাপন
করছেন।
তাঁদের
বড়
একটি
অংশ
ভিসা–বাণিজ্য
ও
দালালচক্রের
প্রতারণার
শিকার
হয়ে
বেকার
অবস্থায়
দিন
কাটাচ্ছেন।
অনেকেই
মাসের
পর
মাস
বেতন
পাচ্ছেন
না,
কেউ
কেউ
অবৈধ
হয়ে
পড়েছেন,
আবার
অনেকে
খাবার
ও
চিকিৎসার
অভাবে
চরম
দুর্দশার
মধ্যে
আছেন।
এই
বাস্তবতা
উপেক্ষা
করে
তাড়াহুড়া
করে
নতুন
শ্রমিক
পাঠানোর
তৎপরতা
কেবল
অদূরদর্শী
নয়,
বরং
দায়িত্বহীনও
বটে।
নতুন
শ্রমিক
পাঠানোর
আগে
পুরোনো
শ্রমিকদের
সুরক্ষা
ও
কর্মসংস্থান
নিশ্চিত
করা
এখন
সময়ের
দাবি।
এডমিন 












